গদ্দিনিশীন রাহবারে ফুরফুরা

হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ.) সম্পর্কে মণীষীদের বাণী সংকলন

* বাবা! আব্দুল হাই আমার কাবার গেলাফ ধরা সন্তান। আমার আব্দুল হাই-এর ওয়াজ আসমানী ওয়াজ। মোজাদ্দেদে জামান কুতুবুল আলম হযরত মাওলানা আবুবকর সিদ্দিকী (রহ.) * তিনি ছিলেন সমকালের শ্রেষ্ঠতম মানবতাবাদী আদর্শ পুরুষ। মানবতার সেবায় তিনি নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছিলেন। মাসিক মদীনা, মে, ১৯৯৩ ইং সংখ্যা * তিনি পাক-ভারত-বাংলাদেশ তথা সমগ্র উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত ওলিয়ে কামেল, আল্লাহর প্রিয়জন। তিনি জনগণের নিকট বড় হুজুর নামেই সমধিক পরিচিত। অগাধ জ্ঞান, আল্লাহর উপর অপরিসীম নির্ভরতা, অতুলনীয় বিনয় ও আদব, ব্যথিত মানুষের প্রতি অফুরন্ত দরদ, অপূর্ব সাংগঠনিক শক্তি, সমাজের খেদমতে বিরল ত্যাগ তাঁর জীবনকে অবিস্মরণীয় করে তুলেছে। ডঃ রশীদুল আলম, এম, এম, (ট্রিপল), পি, এইচ, ডি, (কলি), সহকারী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ * বাংলাদেশ, আসাম, পশ্চিম বাংলার ৫২ টি জেলায় প্রকৃত মানুষ গড়ার কাজের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। মানুষের কীর্তিই যে তাকে বাঁচিয়ে রাখে। ইনি তাই চিরন্তন অবিস্মরণীয়। ডা. কমলকান্ত মুখোপাধ্যায়, এমবিবিএস। * জাতি, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকেই ভাল বাসতেন তিনি হৃদয়ের অকৃত্রিম পবিত্রতা দিয়ে, শোকে বিপদে ছিলেন মানুষের ত্রাতা। ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ বেহক কথা, পশুকে বলি নয়, হিংসাকে বলি এই ছিল তার অন্তরের নিভৃত কথা। ৫২ জেলার ধর্মগুরু হিসাবে খ্যাত ও পরিচিত এ মহানুভব মহাপুরুষের মধ্যে ধর্মীয় কুসংস্কার, অন্ধ গোড়ামী বা সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাষ্প প্রশ্রয় পায়নি। তিনি ছিলেন অজস্র সম্মানের মুকুটমনি, মৈত্রী, ঐক্য ও সংহতির প্রতীক। দেশ দরদী মহানুভব ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তিনি মরেও অমর। বাবু অজয় মল, বিশিষ্ট হিন্দু বুদ্ধিজীবী। * তিনি যখন বক্তৃতা দিতেন, তখন লাখো লাখো মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মত নিস্তদ্ধ ও তন্ময় হয়ে তাঁর কণ্ঠনিঃসৃত অমিয়ময় মধুর বানী শুনতেন। বক্তৃতাদানে তিনি এমনি পারদর্শী ছিলেন যে, তাঁকে সমসাময়িক যুগের শ্রেষ্ঠতম বাগ্মী বললেও অত্যুক্তি হয় না। মাসিক মদীনা, ২৯ বর্ষ, ২য় সংখ্যা * তিনি ছিলেন উপমহাদেশের একজন মুহাককিক আলেম, বিখ্যাত ওয়ায়েজ, সমাজ সংস্কারক, হাক্কানী পীর ও সুফী। উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁহার বিশেষ অবদান ছিল। কুরআন, হাদীস, ফিকাহ, আকাইদ, মানতিক, ফালসাফা, ইতিহাস এবং কাব্যে বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। ফারসী এবং উর্দু কাব্যেও তাঁর দখল ছিল।… পিতার ন্যায় তিনিও শিরক, বিদআত ও কুফরীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন। সমাজে বিরাজিত যাবতীয় অপসংস্কৃতি, কুসংস্কার ও ইসলাম বিরোধী আচার-অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হন। …… তিনি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁহার নির্দেশে ও তত্ত্বাবধানে প্রচুর ইসলামী পুস্তক প্রকাশিত হইয়াছে। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা। তিনি বাংলা ভাষায় পত্র-পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগও গ্রহণ করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহার ও বাংলাদেশ এর লক্ষ লক্ষ মানুষের অন্তরকে ইলমে তাছাওউফের শিক্ষা দ্বারা উদ্ভাসিত করিয়াছেন। ভারত ও বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য স্থানেও তাঁহার ভক্ত ও মুরিদ আছে। অধ্যাপক হাসান আব্দুল কাইয়ুম, মহাপরিচালক, ঢাকা বিভাগীয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন। * আমি কাশফের মাধ্যমে জানতে পেরেছি বড় হুজুর পরতাপে কাইয়ুম হচ্ছেন। তাঁর দর্জা হচ্ছে সিদ্দিকীনের পরে পরতাপে কাইয়ুমের দর্জা। আহলে কাশফ ওলি হযরত মাওলানা আব্দুল মাবুদ মেদেনীপুরী (রহ.) * ফুরফুরার বড় হুজুর হচ্ছেন পরতাপে কাইয়ুম। তাঁর দোয়া আল্লাহর দরবার হতে ফিরে আসে না। তাঁর নিকট বাইআত গ্রহণ কর এবং তার দোয়া লও। মেদেনীপুরের কাঁথি নিবাসী বিখ্যাত আল্লাহর ওলি হযরত খলিলুল্লাহ খান পিয়ারডাঙ্গাবী (রহ.) * জনাব মখদুম মাওলানা হাজি আব্দুল হাই সাহেব, ইনি অলিয়ে কামেল, হযরত পীর সাহেবের পূর্ণ কামালাতের অধিকারী, বর্তমানে গদ্দীনশীন পীর, জমিয়তে ওলামায়ে বাংলার সভাপতি ও আমীরুশ শরিয়তে বাংলা। আল্লামা রুহুল আমীন (রহ.), হযরত পীর কেবলাহ বিস্তারিত জীবনী ২০৮ পৃঃ * সর্ব সাধারণের অবগতির জন্য শুধু এতটুকুই লিখিতে বাধ্য হইতেছি যে, হুজুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র হযরত শাহ সুফী হাজি আব্দুল হাই সিদ্দিকী সাহেবই আমার হুজুরের একমাত্র গদ্দীনশীন (স্থলাভিসিক্ত) খলিফা হওয়ার যোগ্যতার ও সৌভাগ্য অর্জন করিয়াছেন। তাঁহার আচার-ব্যবহার দর্শন করিলে হুজুরের পূর্ণ প্রতীক বলিয়াই প্রতীয়মান হয়। মৌলানা আব্দুস সাত্তার (রহ.), পীর কেবলাহর জীবন-চরিত, পৃঃ ১৩৩)। * তিনি জনসেবা, শিক্ষা বিস্তার এবং ধর্ম শিক্ষা প্রচারে সারা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। … তিনি একজন সাধুপুরুষ ও শক্তিমান অধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন। সত্যযুগ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৩৮৪ বাং। তিনি মুসলিম মিল্লাতের সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে নর-নারী নির্বিশেষে সকলের জন্য ইসলামী শিক্ষার অপরিহার্যতার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। সেই মহৎ লক্ষ অর্জনের জন্য আজীবন তিনি যে প্রাণ পাত করা পরিশ্রম ও মুজাহাদা করে গেছেন তা ঐতিহাসিক দৃষ্টান্তের মতই প্রোজ্জ্বল হয়ে থাকবে। শুধু ফুরফুরাই নয়, বাংলা-আসাম তথা সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামি প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, মক্তব, খানকাহ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে ইসলাম ও মানবতার আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তিনি জীবনভর সাধনা করে গেছেন। পাঠাগার, ইসলামী সংগঠন এবং পত্রিকা প্রকাশনা ছাড়াও তিনি বক্তৃতা দান করে ফিরেছেন। অধ্যাপক মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম * হযরত শাহ সূফি মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকী সাহেবের জ্বালাময়ী ও যুক্তি বহুল এবং সরল অনাড়ম্বর জীবনের আদর্শ পাক হেন্দের মুসলিম সমাজের ধর্মীয় জীবনে পুনঃজাগরণ আনয়ন করেছে। তাঁরা ভাষা ও বচন বিন্যাস যেমন গম্ভীর ও সুযুক্তিপূর্ণ, তেমনি শ্রুতিমধুর ও হৃদয়স্পর্শী। তাঁর মুখ নিঃসৃত পবিত্র বানীসমূহ যেকোন শ্রেণীর জ্ঞানী মানুষের হৃদয়পটে অঙ্কিত করে ইসলামের পুতঃচিত্র। তাঁর প্রতিটি নসিহতের মধ্যে দেখা যায় সিরাতুল মুস্তাকিমের আলোক সংকেত। বাংলাদেশ, পশ্চিম বাংলা এবং আসামে তিনি বহু মাদ্রাসা, মক্তব, মসজিদ ও জনহিতকর কার্য করেছেন। হক্বীক্বতে ইনসানিয়াত, পৃ.১৫৩ * বাংলা ১৩৪৫ সালের ৩রা চৈত্র শুক্রবার ফজরের সময় শাহ সুফি মাওলানা আবুবকর (রহ.) ইন্তেকাল করেন। তাঁর ইন্তেকালের পর পুত্র শাহ সুফি মৌলানা আবু নসর মুহাম্মদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী সাহেব শিরে তুলে নেন পিতার কর্তব্য কর্ম। …… ভারতের বিভিন্ন স্থানের সম্প্রদায়িক বিরোধবশত যে লুণ্ঠন, গৃহদাহ, পৈশাচিক কর্ম এবং শিশু নির্যাতন চলছিল তার তীব্র নিন্দা করেন তিনি। পাকশী খানকাহ শরীফকে কেন্দ্র করে ইসলাম মিশন প্রতিষ্ঠা করেন।উত্তর-বাংলার আউলিয়া প্রসঙ্গ, পৃ: ২১৬-২২৮ * হযরত মাওলানা সুফি আব্দুল হাই সিদ্দিকী বিশিষ্ট ওলিয়ে কামেল, হযরত পীর সাহেবের (মোজাদ্দেদ জামান (রাহ.) পূর্ণ কামালতের অধিকারী ও বর্তমান গদ্দীনশীন পীর। ….. তিনি…. জমিয়াতে ওলামায়ে বাংলার সভাপতি ও আমীরুশ শরিয়তে বাংলা ছিলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তক প্রকাশিত ফুরফুরা শরীফের পীর হযরত মাওলানা শাহ সুফি আবুবকর সিদ্দিকী (রা.) পুস্তকের ৮৯ পৃ দ্র.) * তিনি পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিবছরই দুএকবার করে সফর করতে আসেন। ঢাকার মীরপুরে প্রতি বছরই তাঁর নেতৃত্বে অর্থাৎ সভাপতিত্বে ইসালে ছওয়াবের জালসা হয়। হাজার হাজার লোক উক্ত জালসায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে সমবেত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের পাবনা জেলার পাকশীতে প্রতি বছর ইসালে ছওয়াবের মিটিং হয়ে থাকে। সেখানেও তিনি তশরীফ রাখেন। …. এদেশেও তাঁর বহু মুরিদান রয়েছেন। তাঁর খলিফাগন তাঁর হয়ে এদেশে তরীকতের কার্যাদি সুসম্পন্ন করে যাচ্ছেন। …. বর্তমানে বিজ্ঞানের আলোকে তরীকত শিক্ষার যৌক্তিকতা প্রতিপন্ন করে তাসাওউফ-দর্শন নামীয় পুস্তকাদি রচনা করছেন। তাঁরই পৃষ্টপোষকতায় ঢাকা থেকে নেদায়ে ইসলাম নামক মাসিক পত্রিকাটি বের হচ্ছে। …. অনেক লোকের মত আমিও তাঁকে দেখার জন্য মীরপুর গিয়েছিলাম। তাজীম সহকারে তাঁর সঙ্গে মুসাফাহা ও কদমবুসি করেছিলাম। … তাঁর ওয়াজ শুনে সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। সকলের সঙ্গে আমিও তাঁর কাছে তওবা করে বায়আত হয়ে এসেছিলাম সেদিন। প্রখ্যাত সাহিত্যিক আবু ফাতেমা মোঃ ইসহাক। * ফুরফুরার আমীরে শরিয়ত ও তরীকত, হাদীয়ে মিল্লাত, নায়েবে মুজাদ্দেদ আলহাজ্জ মাওলানা আবু নসর মোহাম্মদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ.) জীবনে বেশুমার কাজ করে গেছেন বর্তমান যুগের (আলেম-ওলামাদের) সকলের কাজও উহার সমতুল্য হবে না। ফয়েজ ফুরফুরা শরীফ, পৃঃ ১৯ * তিনি মুসলমান সমাজের একনিষ্ঠ সেবক ছিলেন একাধারে বাগ্নী, সুবক্তা এবং মারেফাতের মহান দ্রষ্টা। তিনি মুসলিম জনসাধারণের কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছিলেন। তিনি তাঁর মহান পিতার অসমাপ্ত কাজের গুরুদায়িত্ব মাথায় তুলে নিয়েছিলেন এবং সমগ্র জীবন সেই আরাদ্ধ কার্য সম্পন্ন করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। বাংলা ও আসামের বিরাট এলাকা জুড়ে ছিল তাঁর কর্মক্ষেত্র। পীর আব্দুল হাই সিদ্দিকী সাহেব পশ্চিম বাংলা, আসাম ও বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জ ও শহরে বহু মসজিদ-মক্তবের সংস্কার সাধন করে গেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন বহু নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান। সারা জীবন তিনি শিক্ষা ও ধর্ম প্রচারে ব্যয় করেছেন। বাংলাদেশের সুফি সাধক, গোলাম সাকলায়েন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ, পৃঃ ২২১। * পীর মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকী তাঁর (মোজাদ্দেদে জামান (রহ.)এর অনুগামীদের নেতৃত্ব পদে অধিষ্ঠিত হন। পাকিস্তান আন্দোলন ফুরফুরার পীর সাহেবের …. ও তাঁর লক্ষ লক্ষ মুরীদে অপরিসীম ত্যাগ রয়েছে। পাকিস্তান আন্দোলন শুরু হলে …. মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকী ও .. ফুরফুরার সঙ্গে সংশিষ্ঠ অসংখ্য ওলামা ও সাধারণ মুসলমান এ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বাংলাদেশের সংগ্রামী ওলামা পীর মাশায়েখ, ১ম খন্ড জুলফিকার আহমদ কিসমতী, পৃঃ ৬৬। * বড় ভাই আমার জীবনে বহু পয়সা নাড়াচাড়া করেছেন, বহু পয়সা খরচও করে গেছেন, কিন্তু নিজের জানে সুখ দেননি ও সুখ পাননি। …. এখানে নিজের বাড়িতে যা কিছু গড়ে উঠেছে সব তিনিই করেছেন। আর কেউ করেননি। জীবনে তাঁর মত কেউ এত কষ্ট করতেও পারবে না, এত জলসাও করতে পারবে না। হযরত ন হুজুর কেবলাহ আলহাজ্জ মাওলানা নাজমুস সায়াদাত সিদ্দিকী (রাহ.), অমর এক জীবন কথা, পৃঃ ৮৫। * বড় হুজুর (রহ.) এর ইন্তেকালের পর ছোট হুজুর হযরত মাওলানা জুলফিকার আলী সিদ্দিকী (রহ.) বর্তমান গদ্দীনশীন হুজুরের গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন আর বলতে লাগলেন বাবা, তোমরা এতিম হও নই, বরং আমি এতিম হয়েছি! বাপ হারানোর ব্যথা কোন দিনও অনুভব করতে পারি নাই! বিশ্ব ইসলাম মিশন পত্রিকা, প্রকাশকাল-মার্চ, ১৯৭৯ ইং * হাজার ঝঞ্জা মসিবতকে তুচ্ছজ্ঞান করে বড় হুজুর মুজাদ্দেদে জামান (রহ.) এর আরদ্ধ কাজ ত্বরান্তিতভাবে সম্পন্ন করার সংকল্পে ঝাঁপিয়ে পড়েন বিরাট কর্ম ময়দানে বীর সেনানীর বেশে। মুজাদ্দেদে জামান কর্তৃক বাংলা আসামের দিগ-দিগন্তে স্থাপিত হাজার হাজার দীন-বৃক্ষ অত্যন্ত কর্তব্য নিষ্ঠায় সযত্নে আজ মহীরূপ ধারণ করে ফলে-ফুলে পরিশোভিত যে সেলসেলার উদ্যোগে তার পুরোধা বা সেনানায়ক ছিলেন বড় হুজুর পীর কেবলাহ। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ উভয় বঙ্গঁ ও আসামের আপামর জনসাধারনের কল্যাণে নিয়োজিত।ফুরফুরা শরীফের ইতিবৃত্ত, মোঃ মুবারক আলী রহমানী, পৃঃ ১৭৬।