মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
সিয়াম, রমজান ও কুরআন
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৭, শাবান-রমজান ১৪৩৮ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
সিয়াম ফরয করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন : “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়াম লিপিবদ্ধ (ফরয) করা হয়েছে, যেরূপভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর তা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” (সূরা বাকারা : ১৮৩ আয়াত)
আমরা দেখেছি,
শবে কদর, ইতিকাফ ও ফিতরা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৭, শাবান-রমজান ১৪৩৮ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
রামাদানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো শেষ দশ রাত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রামাদানের প্রথম ২০ রাতে কিয়ামুল্লাইল করার আগে বা পরে কিছু সময় ঘুমাতেন। কিন্তু রামাদানের শেষ দশ রাতে তিনি সারারাত বা প্রায় সারারাত জাগ্রত থেকে কিয়ামুল্লাইল ও ইবাদতে রত থাকতেন।
শুধু তাই নয়,
যাকাতের মাসায়েল
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৭, শাবান-রমজান ১৪৩৮ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
যাকাতের মাসায়েল
* যদি কারও নিকট শুধু সোনা থাকে-রূপা, টাকা-পয়সা ও ব্যবসায়িক পণ্য কিছুই না থাকে, তাহলে সাড়ে সাত তোলা বা তার বেশি (সোনা) থাকলে বৎসরান্তে তার উপর যাকাত ফরয হয়।
* যদি কারো নিকট শুধু রূপা থাকে- সোনা,
রাসূল ﷺ যেভাবে রমজান কাটাতেন
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৭, শাবান-রমজান ১৪৩৮ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
রমজান মাসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে আচরণ ও কর্ম নিয়ে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হতেন, তা সকলের জন্য জীবন্ত এক উদাহরণ;তিনি তার এবাদত ও বিনয়-লীন আনুগত্য আল্লাহর কাছে উপস্থাপন করতেন। নানাভাবে শোভিত-মহিমান্বিত করতেন তার এ সময়গুলোকে।
রাসূল যেভাবে রোজা পালন করতেন
এবাদতের বিবিধ উপকরণ দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজার দিবসগুলোকে শোভিত করতেন অত্যন্ত আগ্রহ ও ব্যাকুলতার সাথে তিনি সেহরি ও ইফতার গ্রহণ করতেন। রোজা ভাঙার সময় হলে দ্রুত ইফতার করে নিতেন,
রোযার মাসায়েল
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৭, শাবান-রমজান ১৪৩৮ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
* সুবহে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়ত সহকারে ইচ্ছাকৃতভাবে পান, আহার ও যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত থাকাকে রোযা বলা হয়। প্রত্যেক আক্কেল (বোধ সম্পন্ন), বালেগ (বয়সপ্রাপ্ত) ও সুস্থ্য নর-নারীর উপর রমযানের রোযা রাখা ফরয।
* ছেলে মেয়ে দশ বছরের হয়ে গেলে তাদের দ্বারা (শাস্তি দিয়ে হলেও) রোযা রাখানো কর্তব্য। এর পূর্বেও শক্তি হলে রোযা রাখার অভ্যাস করানো উচিত।
রোযার নিয়তের মাসায়েল ঃ
* রমযানের রোযার জন্য নিয়ত করা ফরয। নিয়ত ব্যতীত সারাদিন পানাহার ও যৌনতৃপ্তি থেকে বিরত থাকলেও রোযা হবে না।
* মুখে নিয়ত করা সুন্নত নয়। অন্তরে নিয়ত করলেই যথেষ্ট হবে।
* সূর্য ঢলার দেড় ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত রমযানের রোযার নিয়ত করা দুরস্ত আছে,


