তুফাইল ইবনে আমর আদ-দাউসী
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৭ম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৭, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৯ হিজরী,অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
তুফাইল ইবনে আমর আদ-দাউসী ‘দাউস’ গোত্রের জাহেলী যুগের সর্দার। আরবের চিহ্নিত সম্ভ্রান্ত লোকদের অন্যতম। সীমিত পৌরুষদীপ্ত ব্যক্তিবর্গের একজন …
তার ডেগ কখনো চুলা থেকে নামত না …, আগন্তুকের সম্মুখে তার দুয়ার কখনো রুদ্ধ হতো না …
সাঈদ ইবনে আমের আল-জুমাহী
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৭, মুহাররম-সফর ১৪৩৯ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
মক্কার অদূরে ‘তানঈম’ এর খোলা প্রান্তর। যেখানে আজ কুরাইশ নেতারদের আহ্বানে সমবেত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। মক্কার তরুণ সাঈদ ইবনে আমেরও অন্যদের মতো তানঈমের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছে। তানঈমের এই খোলা ময়দানে আজ প্রকাশ্যে হত্যা করা হবে মুহাম্মাদের এক সহচর খুবাইব ইবনে আদিকে। যাকে ধোঁকা দিয়ে বন্দী করে আনা হয়েছে মক্কায়।
টগবগে যুবক সাঈদ ইবনে আমের সমবেত জনতার ভিড় ঠেলে ঠেলে পৌঁছে গেল একেবারে সন্মুখসারিতে। এমনকি এই আনন্দ মিছিলের নেতৃত্ব দানকারী কুরাইশের বর্ষীয়ান নেতৃবৃন্দ- আবু সুফিয়ান ইবনে হারব এবং সফওয়ান ইবনে উমাইয়া প্রমুখের পাশাপাশি গিয়ে তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন।
এতে তিনি খুব কাছ থেকে দেখতে পেলে কুরাইশের শৃঙ্খলিত বন্দীকে। যাঁকে বহু মানুষের ঠেলা আর ধাক্কা খেয়ে পায়ে পায়ে এগিয়ে যেতে হচ্ছে চূড়ান্ত মৃত্যুর দিকে। যাঁকে হত্যা করে শাস্তি দেওয়া হবে মুহাম্মাদকে। যাঁকে হত্যার মাধ্যমে বদরযুদ্ধে নিহত আত্মীয়দের কিছুটা প্রতিশোধ নেওয়া যাবে।
********
জনতার এই বিশাল ভিড় বন্দীকে ঠেলে নিয়ে যখন উপনীত হলো প্রস্তুতকৃত বধ্যভূমিতে,
আনাস ইবনে মালেক আল-আনসারী
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৭, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৯ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
আনাস ইবনে মালেক ছিলেন নিষ্পাপ গোলাপের মতো নিশ্চিন্ত বয়সের ছোট এক বালক, যখন তার মা ‘গুমাইসা’ তাকে শিখিয়েছিলেন কালিমা-ই শাহাদাত। তার হৃদয়ের কোমল পাত্রটিকে তিনি পূর্ণ করে দিয়েছিলেন ইসলামের নবী মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা দিয়ে …..
আবু দরদা (রা.)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৩য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর ২০১৭, জিলকদ-জিলহজ ১৪৩৮-৩৯ হিজরী, ভাদ্র-আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ডাক নাম আবু দারদা। কন্যা দারদার নাম অনুসারে এ নাম এবং ইতিহাসে এ নামেই খ্যাত। আসল নামের ব্যাপারে মত পার্থক্য আছে। যথাঃ ’আমির ও ’উয়াইমির। আল-আসমা’ঈর মতে, ’আমির, তবে লোক ’উয়ামির বলতো। এর এটিই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। কেউ বলেছেন,
আনাস ইবনে মালিক (রা.) ৭৭বর্ষ ২য় সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ ২য় সংখ্যা, আগষ্ট ২০১৭, শাওয়াল-জিলকদ ১৪৩৮ হিজরী, শ্রাবন-ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
এপ্রিলের পরের অংশ
একবার খলীফা ’আবদুল মালিক হযরত আনাসসহ আরও চল্লিশজন আনসারী ব্যক্তিকে দিমাশকে ডেকে পাঠান। সেখান থেকে ফেরার পথে ‘ফাজ্জুন নাকাহ’ নামক স্থানে পৌঁছলে আসর নামাযের সময় হয়ে যায়। যেহেতু সফর তখনও শেষ হয়নি,


