পিতামাতা ও সকল মুসলিমের জন্য ইস্তিগফার
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
পিতামাতা ও সকল মুসলিমের জন্য ইস্তিগফার
মুমিন যেমন নিজের জন্য আল্লাহর ক্ষমা ভিক্ষা করবেন, তেমনি মুসলিম উম্মাহর সকল সদস্যের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। বিশেষত নিজের পিতামাতা, আত্মীয় ও বন্ধুগণ এবং পূর্ববর্তী মুসলিমগণের জন্য। কুরআনে আল্লাহ বলেছেন,
কোরআনে বর্ণিত তাওবা ও ইস্তিগফারের আয়াত অর্থসহ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ-৮ম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারী ২০১৭, রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৮ হিজরী, মাঘ-ফাল্গুন ১৪২৩বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
আর আমাদেরকে আমাদের হাজ্জের রীতি-নীতি শিখিয়ে দাও এবং আমাদেরকে ক্ষমা করো। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, অতিশয় দয়ালু। (সূরা বাক্বারা : আয়াত ১২৮)
এ দু আটি হযরত ইবরাহীম ও হযরত ইসমাঈল (আ.) কাবা শরীফ নির্মাণের সময় তিলাওয়াত করেছিলেন।
২.
লা-হাওলা ওয়া লা-কুওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ (বিল্লা-হিল আলিয়্যিল আযীম)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ২য় সংখ্যা, আগষ্ট ২০১৬, শাওয়াল-জিলকদ ১৪৩৭ হিজরী, শ্রাবন-ভাদ্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
লা-হাওলা ওয়া লা-কুওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ (বিল্লা-হিল আলিয়্যিল আযীম)
অর্থ :কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া বা আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (যিনি সর্বোচ্চ-সুমর্যাদাময়)
আবু সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : তোমরা বেশি বেশি করে চিরস্থায়ী নেককর্মগুলো কর। সাহাবীগণ প্রশ্ন করলেন: এগুলো কি?
আল-হামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
আল-হামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি
অর্থঃ সকল প্রশংসা আল্লাহর, অনেক অনেক প্রশংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা।
কয়েকটি সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথাগুলোর অত্যন্ত প্রশংসা করেন। (মুসলিম (৫ কিতাবুল মাসাজিদ,
সুবহা -নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৬, রজব-শাবান ১৪৩৭ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
হাদীসে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নূহ (আ) মৃত্যুর পূর্বে তাঁর পুত্রকে যে ওসীয়ত করেন তাতে তিনি বলেন, আমি তোমাকে দুটি কাজের নির্দেশ দিচ্ছি এবং দুটি কাজ থেকে নিষেধ করছি। আমি তোমাকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু-এর আদেশ প্রদান করছি। কারণ সাত আসমান ও জমিন যদি এক পাল্লায় রাখা হয় এবং লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু অন্য পাল্লায় রাখা হয় তাহলে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ভারী হবে…


