মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
আমার স্মৃতিতে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১০ম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১৭, জমা.সানি-রজব ১৪৩৮ হিজরী, চৈত্র-বৈশাখ ১৪২৩-২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
এ জগতকে সত্য ও সুন্দরের পথে পরিচালিত করার জন্য সমাজে মাঝে মাঝে কিছু বিরল প্রতিভা সম্পন্ন মনীষীর জন্ম হয়। সে প্রতিভা বিভিন্ন প্রকৃতির হয়ে থাকে। কেউ গবেষক/লেখক, কবি-সাহিত্যিক, কেউ বিজ্ঞানী, কেউ আবিষ্কারক,
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আলোকে পবিত্র ইস্রা এবং মি’রাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামঃ প্রেক্ষিত নিউট্রিনো আবিস্কার
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১০ম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১৭, জমা.সানি-রজব ১৪৩৮ হিজরী, চৈত্র-বৈশাখ ১৪২৩-২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
এডিট করতে হবে
سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ لِنُرِيَهُ مِنْ آيَاتِنَا ۚ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ
অর্থঃ “পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি,
বার চাঁদের সালাত ও ফযীলত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১০ম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১৭, জমা.সানি-রজব ১৪৩৮ হিজরী, চৈত্র-বৈশাখ ১৪২৩-২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
বছরের বার মাসে ও বিভিন্ন মাসের বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন আকৃতি ও প্রকৃতির সালাত ও সেগুলোর নামে আজগুবি ও উদ্ভট সব ফযীলতের বর্ণনা দিয়ে হাদীস বানিয়েছে জালিয়াতগণ। প্রচলিত ‘বার চাঁদের ফযীলত’ জাতীয় গ্রন্থগুলো এ সব বাতিল কথায় ভরা। পাঠকদের সুবিধার্থে আমি আরবী মাসগুলোর উল্লেখ করে,
সালাত ও আনুষঙ্গিক প্রসঙ্গ ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
৯. কাফফারা ও এস্কাত
ইসলামে সিয়াম বা রোযার জন্য কাফফারার বিধান রয়েছে। কোনো মুসলিম অপারগতার কারণে সিয়াম পালন করতে না পারলে এবং কাযার ক্ষমতাও না থাকলে তিনি তার প্রতিটি ফরয সিয়ামের পরিবর্তে একজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবেন। বিভিন্ন হাদীসের আলোকে প্রতিটি সিয়ামের পরিবর্তে একটি ফিতরার পরিমাণ খাদ্য প্রদানের বিধান দিয়েছেন ফকীহগণ।
কিন্তু সালাতের জন্য এরূপ কোনো কাফফারার বিধান হাদীসে নেই। কারণ সিয়ামের ক্ষেত্রে যে অপারগতার সম্ভাবনা রয়েছে,
(৬৩) সূরা আল মুনাফেকুন (আয়াত ১-৪)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. হে নবী! এই মুনাফিকরা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাহারা বলে- ‘আমরা সাক্ষ্য দিতেছি, আপনি নিঃসন্দেহে আল্লাহর রসূল। হ্যাঁ, আল্লাহ জানেন যে, তুমি অবশ্যই তাঁহার রসূল। কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিতেছেন, ‘এই মুনাফিকরা চরমভাবে মিথ্যাবাদী১।
২.


