মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
আনাস ইবনে মালিক (রা.) ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
(গত সংখ্যার পর)
হাজ্জ্বাজ ধারণা করেছিলেন, আনাস রাজনৈতিক বাতাস বুঝে কাজ করতেন। তাই আনাসকে দেখেই তিনি বলে উঠেন: ওহে খবীস এটা একটা চালবাজি। আপনি মুখতার আস-সাকাফীর সাথেও থাকেন, আবার কখনও থাকেন ইবনুল আশয়াসের সাথে। আমি আপনার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছি। এমন কঠিন মুহূর্তেও আনাস নিজেকে আয়ত্বে রাখেন। শান্তভাবে তিনি বলেনঃ আল্লাহ আমীরকে সাহায্য করুন। আপনার শাস্তি কার জন্য?
ইসলামের আলোকে রোগ ও চিকিৎসা বিষয়ক ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
প্রশ্ন-৭৫ : আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী কী ধরনের খাদ্য একই সময়ে একই দস্তরখানে বসে খেতেন? অথবা তিনি কী কী খাদ্য অধিক পছন্দ করতেন?
উত্তর : আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
ঈমানদারগণকে তাকওয়া অবলম্বন ও সুদ ত্যাগ করার নির্দেশ ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ۖ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَالِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ
وَإِنْ كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍ ۚ وَأَنْ تَصَدَّقُوا خَيْرٌ لَكُمْ ۖ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ
وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ۖ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
অর্থঃ হে ঈমানদারগণ,
আল্লাহপাক ছাড়া অন্য কারো গায়েবী বা অলৌকিক শক্তি বা ক্ষমতা সম্পর্কে আকীদা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
আল্লাহপাক ছাড়া অন্য কারো গায়েবী বা অলৌকিক শক্তি বা ক্ষমতা সম্পর্কে আকীদা
১. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর অতিপ্রাকৃতিক জগতের উপর কর্তৃত্ব আছে এবং অতিপ্রাকৃতিক অ-বস্তুগত কিংবা অলৌকিকভাবে কাউকে সাহায্য করতে বা বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে বলে বিশ্বাস করাও সুস্পষ্ট শিরকের পর্যায়ভুক্ত। তাই যদি কেউ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর সম্পর্কে বিশ্বাস পোষণ করে যে,
মনের কু-রিপু সমূহ চিনা আবশ্যক ও বিনাশ করা ফরজ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
শামী প্রণেতা বলেনঃ
ইলমে তাসাউফ শিক্ষা করা ফিকহ শাস্ত্র শিক্ষা করার ন্যায়ই যথাক্রমে ফরজে আইন, ফরজে কেফায়া ও মুস্তাহাব। ইহা গায়াতুল আওতার হইতে ইতিপূর্বে বর্ণিত হইয়াছে। ইলমে এখলাছ অর্থাৎ মানসিক সৎগুণরাশি এবং আত্ম প্রশংসা,


