সালাত ও আনুষঙ্গিক প্রসঙ্গ ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
৯. কাফফারা ও এস্কাত
ইসলামে সিয়াম বা রোযার জন্য কাফফারার বিধান রয়েছে। কোনো মুসলিম অপারগতার কারণে সিয়াম পালন করতে না পারলে এবং কাযার ক্ষমতাও না থাকলে তিনি তার প্রতিটি ফরয সিয়ামের পরিবর্তে একজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবেন। বিভিন্ন হাদীসের আলোকে প্রতিটি সিয়ামের পরিবর্তে একটি ফিতরার পরিমাণ খাদ্য প্রদানের বিধান দিয়েছেন ফকীহগণ।
কিন্তু সালাতের জন্য এরূপ কোনো কাফফারার বিধান হাদীসে নেই। কারণ সিয়ামের ক্ষেত্রে যে অপারগতার সম্ভাবনা রয়েছে,
(৬৩) সূরা আল মুনাফেকুন (আয়াত ১-৪)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. হে নবী! এই মুনাফিকরা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাহারা বলে- ‘আমরা সাক্ষ্য দিতেছি, আপনি নিঃসন্দেহে আল্লাহর রসূল। হ্যাঁ, আল্লাহ জানেন যে, তুমি অবশ্যই তাঁহার রসূল। কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিতেছেন, ‘এই মুনাফিকরা চরমভাবে মিথ্যাবাদী১।
২.
আনাস ইবনে মালিক (রা.) ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
(গত সংখ্যার পর)
হাজ্জ্বাজ ধারণা করেছিলেন, আনাস রাজনৈতিক বাতাস বুঝে কাজ করতেন। তাই আনাসকে দেখেই তিনি বলে উঠেন: ওহে খবীস এটা একটা চালবাজি। আপনি মুখতার আস-সাকাফীর সাথেও থাকেন, আবার কখনও থাকেন ইবনুল আশয়াসের সাথে। আমি আপনার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছি। এমন কঠিন মুহূর্তেও আনাস নিজেকে আয়ত্বে রাখেন। শান্তভাবে তিনি বলেনঃ আল্লাহ আমীরকে সাহায্য করুন। আপনার শাস্তি কার জন্য?
ইসলামের আলোকে রোগ ও চিকিৎসা বিষয়ক ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
প্রশ্ন-৭৫ : আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী কী ধরনের খাদ্য একই সময়ে একই দস্তরখানে বসে খেতেন? অথবা তিনি কী কী খাদ্য অধিক পছন্দ করতেন?
উত্তর : আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
ঈমানদারগণকে তাকওয়া অবলম্বন ও সুদ ত্যাগ করার নির্দেশ ৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ۖ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَالِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ
وَإِنْ كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍ ۚ وَأَنْ تَصَدَّقُوا خَيْرٌ لَكُمْ ۖ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ
وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ۖ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفْسٍ مَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
অর্থঃ হে ঈমানদারগণ,


