আপনিও হতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে সুখী নারী-১২
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
অতএব (এসব অনুগ্রহের জন্যে) তোমরা আমাকে স্মরণ কর, (তাহলে) আমিও তোমাদের স্মরণ করব, তোমরা আমার কৃতজ্ঞতা আদায় কর এবং কখনো তোমরা আমার অকৃতজ্ঞ হয়ো না। (সূরা বাকারা : আয়াত -১৫২)
১
কখনোই সময় নষ্ট কর না
নবী করী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
আল-হামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
আল-হামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি
অর্থঃ সকল প্রশংসা আল্লাহর, অনেক অনেক প্রশংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা।
কয়েকটি সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথাগুলোর অত্যন্ত প্রশংসা করেন। (মুসলিম (৫ কিতাবুল মাসাজিদ,
মুসলমান অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. একজন মুসলমান অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া ও তার খোঁজখবর নেয়া অন্য মুসলমানদের উপর অপিরহার্য। এটি হল এক মুসলমানের উপর অন্য মুসলমানের অধিকার । আর আপনি রোগীর যত নিকটতম আত্মীয়, সঙ্গী ও পড়শী হবেন,
এক মুসলমানের মৃত্যুতে অন্য মুসলমানের করণীয়
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. মৃত্যুপথযাত্রীকে কলেমার তালকীন : মৃত্যুগপথযাত্রী অসুস্থ মানুষকে কালিমা বা শাহাদাতাইনের তালকীন করতে হবে, অর্থাৎ তাকে কালিমা পাঠের জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
২. দুআ করা : মৃত্যুপথযাত্রী অসুস্থ ব্যক্তিকে বা মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার জন্য ও তার পরিজনদের জন্য ভাল দুআ করতে হবে। এ সময়ের দুআয় ফিরিশতাগন আমীন বলেন বলে সহীহ্ হাদীসে বলা হয়েছে। (মুসলিম,
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ইতিহাস এবং ফজিলত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ঈদ আরবী শব্দ। ঈদ অর্থ খুশি, আনন্দ, উৎসব, Festivel ইত্যাদি। আর ইসলামী পরিভাষায় ও শরিয়ত মতে ঈদ-উল-ফিতর Eid al- Fitra অর্থ: রোজা ভাঙ্গার উৎসব। Fest of Breaking the Fast. ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমানদের দুটো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে। (১) ঈদ-উল-ফিতর এবং (২) ঈদ-উল-আজহা। প্রতি আরবী দশম মাসের পহেলা শাওয়াল পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এবং দ্বাদশতম মাসের ১০ই জিলহজ্জ তারিখে পবিত্র ঈদ উল আজহা। শরীয়তের পরিভাষায় ঈদ দিবসকে বলা হয় পুরস্কার দিবস। এ প্রসঙ্গে আল্লাহপাক নিজেই ঘোষণা করেছেনঃ সিয়াম (রোজা) আমারই জন্য,


