অনু পরিমাণ ঈমান থাকলেও একসময় জান্নাতে প্রবেশ করবে
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. আনাস ইবনু মালিক (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আল্লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ বলেছে এবং তার অন্তরে যবের দানার ওজন পরিমাণও কল্যাণ (ঈমান) থাকবে। এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ বলেছে এবং তার অন্তরে গমের দানার ওজন পরিমাণও কল্যাণ থাকবে। অতঃপর এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে যে লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ বলেছে এবং তার অন্তরে অণু পরিমাণও কল্যাণ থাকবে। (হাদীসটি সহীহ: সহীহুল বুখারী হা/৬৮৬১;
ক্রোধ বা রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ক্রোধ বা রাগ সুন্দর আচরণ ও সচ্চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রে একটি বিরাট অন্তরায়। ক্রোধ মানুষের হিতাহিত জ্ঞানকে তিরোহিত করে দেয়। ক্রোধ মানুষকে পাপাচার ও অনাচারে লিপ্ত করে। ক্রোধ বা রাগকে অবদমিত করে সহনশীলতা ও কোমলতা অবলম্বন করতে পারা আদর্শবান মানুষের একটি বিশেষ গুণ। কুরআন ও হাদীসে ক্রোধ বা রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সহনশীলতা,
কিয়ামাতের আলামাত (১৭)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
৬৬. যুদ্ধলব্ধ সম্পদকে রাীয় সম্পদ জ্ঞান
১. মুজাহিদীন কর্তৃক বিনাযুদ্ধে (শত্রবাহিনী পলায়ন বা আত্মসমর্পণের দরুন) অর্জিত সম্পদ বন্টনে আল্লাহ পাক নিম্নোক্ত বিধান প্রণয়ন করেছেন
আল্লাহ জনপদ-বাসীদের কাছ থেকে তাঁর রাসুলকে যা দিয়েছেন ,
আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদাচরণ : গুরুত্ব ও ফযীলত-৫
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
৩৬. অমুসলিম মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ
হযরত আসমা রা. বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফেরদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তখন আমার কাফের মা মক্কায় আমর বাড়ীতে আসতো।
ফায়দা : ইসলামের প্রথম যুগে কাফেরদের পক্ষ থেমে মুসলমানদের উপর যেসব অত্যাচার ও নির্যাতন হয়েছিল তা বর্ণনাতীত। ইতিহাসের বইপত্রে এসব ঘটনা ভুরি ভুরি রয়েছে। তখন মুসলামানরা মদীনায় হিজরত করতে বাধ্য হয়েছিল। সেখানে উপস্থিতির পরও মুশরিকদের পক্ষ সকল প্রকার যুদ্ধ ও কষ্ট- যাতনার ধারা অব্যাহত ছিল। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণের সাথে উমরা (ছোট হজ্জ) আদায় করার জন্য মক্কায় আগমন করেন। তখন কাফিররা মক্কা প্রবেশে বাধা দেয়। ফলে অগত্যা বাহির থেকে তারা ফেরে যেতে বাধ্য হন। তবে তৎপূর্ব ঐসময় পরস্পরের মধ্যে কয়েক বছরব্যাপী একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তিপত্রে শর্ত সাপেক্ষ কয়েক বছর পর্যন্ত যুদ্ধ-বিগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ঘটনাটি প্রসিদ্ধ। আসমা (র) উল্লিখিত হাদীসে এই চুক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন যে,
নওমুসলিমের জীবন কাহিনী ৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
খ্রিস্ট ধর্মের প্রতি রেনি গ্যাননের আস্থা ছিলনা। তাই তিনি সত্যকে খুঁজতে থাকেন। অবশেষে ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি। তার সংস্পর্শে এসে বহু ইউরোপীয় ও আমেরিকান পণ্ডিত মুসলমান হন। -ওয়াহিদ
রেনি গ্যাননের বর্তমান নাম শেখ আব্দুল ওয়াহিদ ইয়াহিয়া। ফ্রান্সের একজন নামকরা পণ্ডিত ব্যক্তি তিনি। রেনি একাধারে প্রখ্যাত লেখক এবং দার্শনিক। ফ্রান্সের এক ধনী ক্যাথলিক পরিবারে ১৮৮৩ সালের ১৫ নভেম্বর তার জন্ম। তার পিতা খুব নামকরা একজন প্রকৌশলী ছিলেন। বলতে গেলে রেনি সোনার চামচ মুখে নিয়েই জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই রেনি অসম্ভব প্রতিভার অধিকারী ছিলেন এবং সব সময় তিনি ডিসটিংশন নিয়ে পাশ করেন। অত্যন্ত কুতিত্বের সাথে রেনি স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে তিনি সত্যের অনুসন্ধান চালাতে থাকেন। কেননা,


