প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়

১. একজন মুসলমান অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া ও তার খোঁজখবর নেয়া অন্য মুসলমানদের উপর অপিরহার্য। এটি হল এক মুসলমানের উপর অন্য মুসলমানের অধিকার । আর আপনি রোগীর যত নিকটতম আত্মীয়, সঙ্গী ও পড়শী হবেন, তাকে দেখতে যাওয়ার গুরুত্ব তত বড়বে। রোগীকে দেখতে যাওয়ার মাত্রা বা পরিমান রোগী ও রোগের অবস্থা সাপেক্ষে কম-বেশি হবে। কেননা রোগের পরিস্থিতি ও রোখীর অবস্থা বিবেচনায় তা কখনও বেশি বেশি, আবার কখনও কম প্রয়োজন হতে পারে।

২. যে ব্যক্তি রোগীকে দেখতে যাবে তার জন্য সুন্নতি পদ্ধতি হলো, সে রোগীর অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে এবং তার জন্য দুআ করবে ও তাকে কষ্ট লাঘব হওয়ার ও অচিরেই রোগ মুক্তি পাওয়ার আশ্বাস দিবে, কেননা এটি সুস্থতা ও আরোগ্য লাভের অন্যতম কারণ। সে যেন আতঙ্কগ্রন্থ না হয়। এমন পদ্ধতিতে তাকে তাওবা করতে বলতে হবে, যেমন তাকে এ ধরণের বলবে: নিশ্চয়ই এই রোগের ফল আপনি ভাল পাবেন, কেননা রোগের মাধ্যমে আল্লাহ ভুল-ক্রটি ও পাপ সমূহ মিটিয়ে দেন। আপনি এমতাবস্থায় বসে থেকে দুআ, জিকর ও ইস্তিগফার বেশী বেশী করে অধিক নেকী অর্জন করতে পারেন।

৩. রোগাক্রান্ত ও অসুস্থ হলে মানুষ অসহায় ও শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কোথাও যেতে পারে না। বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার সময় কেটে যায়। এমতাবস্থায় কেউ পাশে গিয়ে সান্তুনা দিলে সে স্বস্তি বোধ করে। অনুরূপভাবে অসুস্থকে দেখতে গেলে তাকে সে আপন মনে করে। তাছাড়া অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজ-খবর নেয়া মুসলমানের অন্যতম দায়িত্ব। রোগীর দেখা-শোনা ও সেবা-শুশ্রষাকে ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে।