(৬২) সূরা জুমুআ (আয়াত ১০-১১)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ-৮ম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারী ২০১৭, রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৮ হিজরী, মাঘ-ফাল্গুন ১৪২৩বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ইহা তোমাদের জন্য অধিক উত্তম যদি তোমরা জান।
১০. পরে নামায সম্পূর্ণ হইয়া যাইবে তখন পৃথিবীতে ছড়াইয়া পড় এবং খোদার অনুগ্রহ সন্ধান কর১। আর আল্লাহকে খুব বেশি বেশি তখন স্মরণ করিতে থাক। সম্ভবত: তোমরা সাফল্য লাভ করিতে পারিবে২।
১১.
(৬২) সূরা জুমুআ (আয়াত ৫- ৯)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ-৭ম সংখ্যা, জানুয়ারী ২০১৭, রবি আউঃ-রবি সানী ১৪৩৮ হিজরী, পৌষ-মাঘ ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
৫. যেসব লোককে তওরাতের ধারক বানানো হইয়াছিল, কিন্তু তাহারা উহার ভার বহন করে নাই, তাহাদের দৃষ্টান্ত সেই গর্দভের ন্যায়, যাহার পৃষ্ঠে বহু কিতাব চাপাইয়া দেওয়া হইয়াছে। ইহা হইতেও নিকৃষ্টতর দৃষ্টান্ত হইল সেই সব লোকেরা,
(১৬) সূরা আস-সফ (আয়াত ১৩-১৪ )
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৬ষ্ঠ সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৬, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৭-৩৮ হিজরী, অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
এবং চিরকাল অবস্থিতির জান্নাতে অতীব উত্তম ঘর তোমাদিগকে দান করিবেন। ইহা বড় সাফল্য।
১৩. আর অন্যান্য যেসব জিনিস তোমরা চাও, তাহাও তোমাদিগকে দিবেন। আল্লাহর মদদ এবং খুব নিকটবর্তী বিজয়। হে নবী!
(৬১) সূরা আস-সফ (আয়াত ৭-১২)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৬, মুহাররম-সফর ১৪৩৭-৩৮ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
কিন্তু কার্যতঃ সে যখন তাহাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনাদি লইয়া উপস্থিত হইল, তখন তাহারা বলিলঃ ইহাতো সুস্পষ্ট প্রতারণা মাত্র১।
৭. এক্ষণে সেই ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক বড় অত্যাচারী আর কে হইবে যে আল্লাহর উপর মিথ্যা দোষারোপ করে২,
(৬১) সূরা আস-সফ (আয়াত ১-৬ )
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. আল্লাহর তসবীহ করিয়াছে এমন প্রত্যেকটি জিনিস যাহা আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর বুকে বিরাজ করিতেছে। তিনিই সর্বজয়ী ও মহা বিজ্ঞানী।
২. হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা কেন সেই কথা বল যাহা কার্যতঃ কর না?


