প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১০ম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১৬, জমা.সানী-রজব ১৪৩৭ হিজরী, চৈত্র-বৈশাখ ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১৯। ধবংস নিশ্চিত সেই দিন অমান্যকারীদের জন্য ১।
২০। আমরা কি নগণ্য-সামান্য পানি হইতে তোমাদিগকে সৃষ্টি করি নাই?
২১-২২। একটা নির্দিষ্ট সময়-কাল পর্যন্ত উহাকে একটি সংরক্ষিত স্থানে কি আটক করিয়া রাখি নাই?
২৩। লক্ষ্য কর, আমরা এইরূপ করিতে ক্ষমতাবান ছিলাম। অতএব, মনে রাখিও, আমরা অতীব উত্তম ক্ষমতার অধিকারী।
২৪। ধ্বংস সেই দিন অমান্যকারী – অবিশ্বাসীদের জন্য ২।
২৫। আমরা কি পৃথিবীকে সামলাইয়া গুটাইয়া রাখিতে সক্ষম বানাই নাই,
২৬। জীবিতদের জন্যও, মৃতদের জন্যও?
২৭। আর উহাতে উচ্চশির পর্বতমালা গাড়িয়া শক্ত করিয়া বসাইয়া দিয়াছি। আর তোমাদিগকে সুমিষ্ট পানি পান করাইয়াছি।
২৮। ধ্বংস সেইদিন অমান্যকারীদের জন্য অনিবার্য ৩ ।
২৯। চলিতে থাক ৪ এক্ষনে সেই জিনিসের দিকে যাহাকে তোমরা মিথ্যা ও অসত্য মনে করিতেছিলে
৩০। চল সেই ছায়ার পানে যাহা তিনটি শাখা ৫ সমম্বিত।
৩১। না শৈত্যদাতা, না আগুনের লেলিহান হলকা হইতে রক্ষাকারী
৩২। সে আগুন প্রাসাদের ন্যায় বিরাট স্ফুলিঙ্গ নিক্ষেপ করিবে।
৩৩। (উহা লাফাইতে থাকিবে, মনে হইবে) যেন উহা হলুদ বর্ণের উষ্ট্র।
৩৪। ধ্বংস অনিবার্য সেইদিন অমান্যকারীদের জন্য।
৩৫। ইহা সেই দিন, যে দিন তাহারা কিছু বলিবে না,
৩৬। তাহাদিগকে কোনরূপ ওযর পেশ করারও সুযোগ দেওয়া হইবে না ৬।
১ এখানে এ বাক্যাংশের অর্থ-দুনিয়াতে তাদের যে পরিণাম ঘটেছে অথবা ভবিষ্যতে যা ঘটবে তা তাদের আসল শাস্তি নয়। তাদের উপর আসল শাস্তি বা ধ্বংস তো পরকালে শেষ সিদ্ধান্তের দিনে অবতীর্ণ হবে।
২ অর্থাৎ মৃত্যুপর জীবনের সম্ভাবনার এই সুস্পষ্ট যুক্তি-প্রমাণ সামনে বর্তমান থাকা সত্ত্বেও যারা আজ তাকে মিথ্যা বলছে সেদিন তারা ধ্বংসের সম্মুখীন হবে।
৩ অর্থাৎ যারা খোদার শক্তি-মহিমা ও জ্ঞান-কৌশলের বিস্ময়কর ক্রিয়াকাণ্ড দেখেও পরকালের সম্ভাবনা ও যৌক্তিকতা অস্বীকার করে, তারা নিজেদের এই খাম-খেয়ালীর মধ্যে নিজেরা মগ্ন থাকতে চায় থাকুক, কিন্তু যেদিন তাদের ধারণার বিপরীত এসব কিছু সংঘটিত হবে সেদিন তারা এ কথা জানতে পারবে যে, তাদের মূর্খতার জন্যে তারা নিজেরা নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করেছে।
৪ পরকালের সত্যতার যুক্তিপ্রমাণ দেয়ার পর এখন জানানো হচ্ছে, যখন তা সংঘটিত হবে তখন সেখানে অমান্যকারীদের কি অবস্থা ঘটবে।
৫ ছায়া বলতে ধূঁয়ার ছায়া বোঝানো হয়েছে। তিনটি শাখার অর্থ: যখন খুব বৃহদাকার কোন ধুম্র-পিণ্ড উত্থিত হয়, তখন ঊর্ধ্বে গিয়ে তা কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ে।
৬ অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা এরূপ মজবুত সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারা প্রমাণিত হবে যে, তারা সম্পূর্ণ বিমূঢ় হয়ে পড়বে এবং তাদের জন্য নিজেদের অনুকূলে কোন ওযর-ওজুহাত পেশ করার কোন অবকাশই বাকী থাকবে না।
