নবীজী যা নিষেধ করেছেন-৬
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
মসজিদকে পথ হিসেবে ব্যবহার করা নিষেধ
আব্দুল্লাহ্ বিন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : তোমরা নামায ও যিকির ছাড়া মসজিদকে পথ হিসেবে ব্যবহার করো না। (আস৪্-সিল্সিলাতুস্ -স্বাহীহাহ্,
কিয়ামতের আলামত (২০)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
৮০. বাক চাতুর্যে সম্পদ উপার্জন
১. শরীয়ত সম্মত পন্থায় পয়সা উপার্জনে দোষের কিছু নেই। জজ, উকিল ও ব্যারিাগণ এ নিয়েই বেতন ভূক্ত চাকুরী করে থাকেন। কিন্তু ভ্রান্ত কথা, ব্যবসায় মিথ্যা শপথ,
আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদাচরণ : গুরুত্ব ও ফযীলত-৮
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
৬৫.হকদারের হক ন করলে পরকালে জবাবদিহি করতে হবে
হক্কুল ইবাদ বা মানুষের হক কড়ায়-গণ্ডায় আদায়যোগ্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অথচ মানুষকে সচরাচর এ বিষয়ে পরোয়া করতে দেখা যায় না। ধর্মপরায়ণতা কেবল নামায,
শব্দ সংস্কৃতির ছোবল-৭
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
জলাঞ্জলি
জলাঞ্জলি শব্দটি ব্যবহার করা হয় অপচয়, অপব্যয় ও সম্পূর্ণ বরবাদ হওয়ার অর্থে। এ শব্দের দুটি রূপ আছে, একটি বাহিরের অন্যটি ভিতরের। বাহিরের রূপ বেশ সুন্দর, প্রয়োগও ভালো, কিন্তু ভিতরের রূপটা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এ শব্দের ভাবগত সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যাও আপত্তিকর। জলাঞ্জলি হচ্ছে হিন্দুদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। শব্দটি সংস্কৃত ভাষার বৈদিক সংস্কৃতির একটি শব্দ। এর সন্ধি বিচ্ছেদ করলে এই দাঁড়ায় : জল + অঞ্জলি = জলাঞ্জলি।
শবদাহের পর হিন্দুরা প্রেতাত্মার উদ্দেশ্যে আঁজলাপূর্ণ পানি চিতায় ছিটিয়ে দেয়। এই ধর্মীয় কর্মের নাম জলাঞ্জলি,
হিজরী নববর্ষ ও আশূরা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
মুহাররম মাস ইসলামী পঞ্জিকার প্রথম মাস। রাসূলুল্লাহ -এর সময়ে ও তার পূর্বে রোমান, পারসিয়ান ও অন্যান্য জাতির মধ্যে তাদের নিজস্ব ক্যালেন্ডার বা পঞ্জিকা প্রচলিত ছিল। আরবদের মধ্যে কোনো নির্ধারিত বর্ষ গণনা পদ্ধতি ছিল না। বিভিন্ন ঘটনার উপর নির্ভর করে তারিখ বলা হতো। যেমন,


