প্রচলিত কুসংস্কার সংশোধন-৪
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৬, রজব-শাবান ১৪৩৭ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
পঞ্চম অনুচ্ছেদ
দাড়িতে কালো রঙের খেযাব ব্যবহার করাও মন্দপ্রথাসমূহের একটি। আবু দাউদ ও নাসায়ী শরীফে হযরত ইবনে আব্বাসের রেওয়ায়েতকৃত হাদীসে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে-আখেরী যমানায় কিছু লোক কবুতরের বুকের ন্যায় কালো খেযাব ব্যবহার করবে,
রোগ ও ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিষয়ক ৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৬, রজব-শাবান ১৪৩৭ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
প্রশ্ন-৪৬ : আমাদের ভেতর অনেকেই লম্বা গোঁফ রাখেন। এই বড় গোঁফ রাখা যে অনুচিত তা আমরা এ হাদীস থেকে জানলাম। এবার মুহতারামের নিকট প্রশ্ন, গোঁফ রাখা স্বাস্থ্যসম্মত কি না, চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিষয়টি এবার বলুন।
উত্তর : From medical scientific and religious points of view গোঁফ মাত্রাতিরিক্ত বড় রাখা অসুন্দর ও অগ্রহণযোগ্য কাজ। গোঁফ অত্যধিক বড় রাখলে কেউ প্রশংসা করেনা;
ইখলাসের সাথে যে লা-ইলা- হা ইল্লাল্লা-হ বলবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৬, রজব-শাবান ১৪৩৭ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা:) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আল্লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি ইখলাসের সাথে লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ বলবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (হাদিসটি সহীহ:ইবনু হিব্বান হা/২০১; আবূ নুআইম হিলয়্যা ৭/৩১২;
নবীজী যা নিষেধ করেছেন-৩
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৬, রজব-শাবান ১৪৩৭ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
ইমাম সাহেবের পূর্বেই নামাযের যে কোন রুকন আদায় করা নিষেধ
মূলত নামাযের যে কোন রুকন ইমাম সাহেবের একটু পরেই আদায় করতে হয়। তথা ইমাম সাহেব যখন তাকবীর দিয়ে পুরোপুরি রুকুতে চলে যাবেন তখন মুক্তাদিগণ রুকু করতে অগ্রসর হবেন। তেমনিভাবে ইমাম সাহেব যখন তাকবীর দিয়ে সিজদার জন্য জমিনে কপাল ঠেকাবেন তখনই মুক্তাদিগণ তাকবীর দিয়ে সিজদায় যাবেন। ইমাম সাহেবের আগে,
শরিয়ত প্রবর্তন ও হালাল-হারাম সাব্যস্ত করার ক্ষমতা সম্পর্কে আকীদা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৬, রজব-শাবান ১৪৩৭ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. বান্দাগণের স্বীয় ইবাদত, উপাসনা কাজ কারবার তথা যাবতীয় ব্যাপারে পথ নির্দেশ এবং বান্দাদের পারস্পরিক ঝগড়া বিবাদ, মামলা-মোকাদ্দমা ইত্যাদি সম্পর্কে হুকুম-আহকাম, বিধি-নিষেধ আরোপ করার একমাত্র অধিকার শুধুমাত্র আল্লাহরই, যিনি সমস্ত মানবকুলের প্রভু এবং সমগ্র সৃষ্টি জগতের স্রষ্টা।
اَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَ الْاَمْرُ ؕ تَبٰرَكَ اللهُ رَبُّ الْعٰلَمِيْنَ
তারই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ করা। আল্লাহ বরকতময়,


