তাছাওয়ফ তত্ত্ব বা তরীকত দর্পণ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৬ষ্ঠ সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৬, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৭-৩৮ হিজরী, অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
وَمَا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ إِلَّا لِتُبَيِّنَ لَهُمُ الَّذِي اخْتَلَفُوا فِيهِ ۙ وَهُدًى وَرَحْمَةً لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
সূরা নাহল আয়াত নং ৬৪
অর্থ : আমি আপনার উপর কুরআন নাযিল করিয়াছি এই হেতু যে,
তওবার ফায়েজ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৬, মুহাররম-সফর ১৪৩৭-৩৮ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
পবিত্র কোরআন মজিদে আছে
يا ايها الذين امنوا توبوا الي الله توبة نصوحا
অর্থাৎ- আল্লাহ পাক বলিতেছেন যে, হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের গুণাহরাশি হইতে আল্লাহর নিকট সরলান্তকরণে তওবা কর।
এই আয়াতের নিদেশানুসারে মানুষকে আল্লাহর নিকট কায়মনে নিজ নিজ গুনাহ হইতে তওবা করা একান্ত কর্তব্য। সুতরাং তওবা কবুল হইবার জন্য এই মোরাকাবা করিবে। এই মোরাকাবার সময় যথাশক্তি নিম্নলিখিত কার্যসমূহ করিবে।
(১) নিজের উপরে অন্যের যে কোনও প্রকার দাবী থাকুক,
সর্বদা আল্লাহর জেকের করার হুকুম
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
পবিত্র কোরআনে সূরা আরাফের ২০৫ নং আয়াতের তাফসীরে আছে…………………………………………
অর্থাৎ স্মরণ কর তোমার প্রভুকে স্বীয় অন্তরে সকাতরে ও ভয়ভীতির সাথে মধ্যম আওয়াজে, একেবারে চুপেও নয় এবং উচ্চ স্বরেও নয় দিনের প্রথম ভাগে ও শেষ ভাগে এবং আল্লাহর জেকের হইতে যারা বিরত থাকে তাহাদের মধ্যে তুমি পরিগণিত হইও না। জামেউল উসূল কিতাবে লিখিত আছে……………………………………………
জবানের হেফাজত বা রসনার সদ্ব্যবহার ৭৬বর্ষ- ৩য় সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৩য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর ২০১৬, জিলকদ-জিলহজ ১৪৩৭ হিজরী, ভাদ্র-আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
(২য় সংখ্যার পর)
তৃতীয় দোষ : পরনিন্দা
আলকোরআনে পরনিন্দার সম্বন্ধে বর্ণিত আছেঃ তোমাদের একজন যেন অন্যের নিন্দাবাদ না করে, তোমাদের একজন কি নিজের মৃত ভ্রাতার গোশ্ত ভক্ষণ পছন্দ করে?
জবানের হেফাজত বা রসনার সদ্ব্যবহার ৭৬বর্ষ- ২য় সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ২য় সংখ্যা, আগষ্ট ২০১৬, শাওয়াল-জিলকদ ১৪৩৭ হিজরী, শ্রাবন-ভাদ্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আপন রসনার সদ্ব্যবহার করা একান্ত কর্তব্য। সূক্ষ্মতত্ত্বজ্ঞ বিদ্বানগন বলিয়াছেন, খোদা তাআলা দুইটি চক্ষু ও একটি জিহবা প্রদান করিয়াছেন, উদ্দেশ্য এই যে, মনুষ্যের দর্শন অপেক্ষা কথন অল্প হওয়া আবশ্যক। খোদাতাআলা এক জিহবার জন্য অধরদ্বয়কে দুইজন রক্ষকস্বরূপ নিযুক্ত করিয়াছেন। যেন উভয়ে জিহবাকে আয়ত্তাধীনে রাখিতে পারে। কোরআনে বর্নিত আছে মানুষ্য যে কোন কথা বলে,


