প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ২য় সংখ্যা, আগষ্ট ২০১৬, শাওয়াল-জিলকদ ১৪৩৭ হিজরী, শ্রাবন-ভাদ্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়

লা-হাওলা ওয়া লা-কুওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ (বিল্লা-হিল আলিয়্যিল আযীম)

অর্থ :কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া বা আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (যিনি সর্বোচ্চ-সুমর্যাদাময়)
আবু সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : তোমরা বেশি বেশি করে চিরস্থায়ী নেককর্মগুলো কর। সাহাবীগণ প্রশ্ন করলেন: এগুলো কি? তিনি বললেন… : তাকবীর আল্লাহু আকবার, তাহলীল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু তাসবীহ সুবহা-নাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ এবং লা-হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” হাদীসটির সনদ হাসান। (মুসনাদ আহমদ ৩/৭৫, ৪/২৬৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১২১, মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৯৪, ৭২৫, মাজমাউয যাওয়াইদ ৫/২৪৭, ৭/১৬৬, ১০/৮৬, ৮৭, ৮৯, মাওয়াবিদুয যামআন ৭/৩৩৭-৩৩৯)

আবু মুসা, আবু হুরাইরা, আবু যার, মুআয, সাদ ইবনু উবাদাহ (রা) প্রমুখ সাহাবী থেকে বর্ণিত অনেকগুলো হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা লা হাওলা ওয়া লা কুওাতা ইল্লা বিল্লাহ বলবে, কারণ এ বাক্যটি জান্নাতের ভাণ্ডারগুলোর মধ্যে একটি ভাণ্ডার ও জান্নাতের একটি দরজা। (বুখারী (৬৭-কিতাবুল মাগাযী, ৩৬-বার গাযওয়াত খাইবার) ৪/১৫৪১ (৫/২৩৪৬, ২৩৫৪, ৬/২৪৩৭, ২৬৯০) (ভা ২/৬০৫); মুসলিম (৪৮-কিতাবুয যিক্র, ১৩-বার ইসতিহবার খফদিস সাওত) ৪/২০৭৮ (ভা ২/৩৪৬), মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৪৩২-৪৩৬, হাইসামী, মাযমাউয যাওয়াইদ ১০/৯৭-৯৯)

আবু আইউব আনসারী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মিরাজের রাত্রিতে ইবরাহীম (আ) আমাকে বলেন: আপনার উম্মতকে নির্দেশ দিবেন, তারা যেন বেশি করে জান্নাতে বৃক্ষ রোপণ করে…। জান্নাতের বৃক্ষ রোপণ লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলা। হাদীসটির সনদ হাসান। (মুসনাদ আহমদ ৫/৪১৮, মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৪৩৫, হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/৯৭)

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: পৃথিবীতে যে কোনো ব্যক্তি যদি বলে: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, আল্লাহ মহান, কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর সাহায্য ছাড়া), তবে তার সকল গোনাহ ক্ষমা করা হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমান হয়। হাদীসটি হাসান। (তিরমিযী (৪৯-কিতাবুত দাওআত, ৫৮-বার ফাদলিত তাসবীহ ওয়াত তাকবীর ৫/৪৭৫ (ভারতীয় ২/১৮৪), মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৮২, মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৪১৮)