মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
আল-হামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
আল-হামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি
অর্থঃ সকল প্রশংসা আল্লাহর, অনেক অনেক প্রশংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা।
কয়েকটি সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথাগুলোর অত্যন্ত প্রশংসা করেন। (মুসলিম (৫ কিতাবুল মাসাজিদ,
মুসলমান অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. একজন মুসলমান অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া ও তার খোঁজখবর নেয়া অন্য মুসলমানদের উপর অপিরহার্য। এটি হল এক মুসলমানের উপর অন্য মুসলমানের অধিকার । আর আপনি রোগীর যত নিকটতম আত্মীয়, সঙ্গী ও পড়শী হবেন,
এক মুসলমানের মৃত্যুতে অন্য মুসলমানের করণীয়
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. মৃত্যুপথযাত্রীকে কলেমার তালকীন : মৃত্যুগপথযাত্রী অসুস্থ মানুষকে কালিমা বা শাহাদাতাইনের তালকীন করতে হবে, অর্থাৎ তাকে কালিমা পাঠের জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
২. দুআ করা : মৃত্যুপথযাত্রী অসুস্থ ব্যক্তিকে বা মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার জন্য ও তার পরিজনদের জন্য ভাল দুআ করতে হবে। এ সময়ের দুআয় ফিরিশতাগন আমীন বলেন বলে সহীহ্ হাদীসে বলা হয়েছে। (মুসলিম,
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ইতিহাস এবং ফজিলত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ঈদ আরবী শব্দ। ঈদ অর্থ খুশি, আনন্দ, উৎসব, Festivel ইত্যাদি। আর ইসলামী পরিভাষায় ও শরিয়ত মতে ঈদ-উল-ফিতর Eid al- Fitra অর্থ: রোজা ভাঙ্গার উৎসব। Fest of Breaking the Fast. ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমানদের দুটো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে। (১) ঈদ-উল-ফিতর এবং (২) ঈদ-উল-আজহা। প্রতি আরবী দশম মাসের পহেলা শাওয়াল পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এবং দ্বাদশতম মাসের ১০ই জিলহজ্জ তারিখে পবিত্র ঈদ উল আজহা। শরীয়তের পরিভাষায় ঈদ দিবসকে বলা হয় পুরস্কার দিবস। এ প্রসঙ্গে আল্লাহপাক নিজেই ঘোষণা করেছেনঃ সিয়াম (রোজা) আমারই জন্য,
রুচি দেখে লুচি দিন ৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
[চলমান ]
সে তার বক্তব্য শেষ করলে আমি কিছু বলতে চাইলাম। আমি মনে মনে সময়োপযোগী কিছু কথা সাজিয়ে নিলাম। বলার আগে আবূ বকরের মনোভাব বুঝতে চেষ্টা করলাম। তবে আমি তাকে কিছুটা উত্তেজিত ও ক্ষুব্ধ দেখতে পেলাম। আবূ বকর আমার মনোভাব বুঝত পেরে আমাকে বললেন,


