প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৭, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৯ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
সুদের অবৈধতা ও নিষেধাজ্ঞা কোন রহস্য ও উপযোগিতার উপর নির্ভরশীল, এতে কী কী আত্মিক অথবা অর্থনৈতিক অপকারিতা রয়েছে, যে কারণে ইসলাম একে এত বড় গুনাহ সাব্যস্ত করেছে। এ প্রসঙ্গে প্রথমে বুঝে নেওয়া দরকার যে, জগতের কোনো সৃষ্ট বস্তু ও তার কাজ-কারবারই এমন নেই যে, যাতে কোনো না কোনো বৈশিষ্ট্য বা উপকারিতা নেই। সাপ, বিচ্ছু, বাঘ, সিংহ এমনকি সংখিয়ার মতো মারাত্মক বিষের মধ্যেও মানুষের হাজারো উপকারিতা রয়েছে। চুরি, ডাকাতি, বভিচার, ঘুষ ইত্যাদির মধ্যেও কোনো না-কোনো উপকার খুঁজে বের করা যায়।
যে জিনিসের মধ্যে উপকার বেশি এবং ক্ষতি কম, তাকে উপকারী ও উত্তম মনে করা হয়। পক্ষান্তরে যেসব জিনিসের অনিষ্ট ও অপকারিতা বেশি এবং উপকারিতা কম, সেগুলোকে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় মনে করা হয়। কুরআন পাকও সুদ ও জুয়াকে হারাম করার সময় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেছে যে, এগুলোর মধ্যে গুনাহ ও মানুষের উপকার দুই-ই রয়েছে, কিন্তু গুনাহের পরিমাণ উপকারের তুলনায় অনেক বেশি। তাই এগুলোকে উত্তম ও উপকারী বলা যায় না; বরং ক্ষতিকর ও ধ্বংসাত্মক মনে করে এগুলো থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য। ‘রিবা’ অর্থাৎ সুদের অবস্থাও তদ্রƒপ। এতে সুদখোরের সাময়িক উপকার অবশ্যই দেখা যায়। কিন্তু এর জাগতিক ও পারলৌকিক মন্দ পরিণাম এ উপকারের তুলনায় অত্যন্ত জঘন্য। প্রত্যেক বস্তুর উপকার-অপকার ও লাভ-ক্ষতি হয়ে থাকে যে, যদি কোনো বস্তুর উপকার অস্থায়ী ও সাময়িক হয় এবং অপকার দীর্ঘস্থায়ী কিংবা চিরস্থায়ী হয়, তবে একে কোনো বুদ্ধিমান উপকারী বস্তুসমূহের তালিকায় গণ্য করতে পারে না। এমনিভাবে যদি কোনো বস্তুর উপকার ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয় এবং ক্ষতি সমগ্র জাতির ঘাড়ে চাপে, তবে একেও কোনো সচেতন মানুষ উপকারী বলতে পারে না। চুরি ও ডাকাতিতে চোর ও ডাকাতের উপকার অনস্বীকার্য। কিন্তু তা সমগ্র জাতির জন্য ক্ষতিকর এবং তাদের শান্তি ও স্বস্তি বিনষ্টকারী তাই কোনো মানুষই চুরি-ডাকাতিকে ভালো বলে না।
এ ভূমিকার পর সুদের প্রতি লক্ষ করুন। সামান্য চিন্তা করলেই বোঝা যাবে যে এতে সুদখোরের সাময়িক ও অস্থায়ী উপকারের তুলনায় তার আত্মিক ও নৈতিক ক্ষতি এত তীব্র যে, সুদ গ্রহণে অভ্যস্ত ব্যক্তি মানবতার গণ্ডির ভেতরে থাকতে পারে না। তার সাময়িক উপকারটিও শুধু তার নিজস্ব ও ব্যক্তিগত উপকার। কিন্তু এর ফলে গোটা জাতিকে বিরাট ক্ষতি ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার শিকারে পরিণত হতে হয়। কিন্তু জগতের অবস্থা বিচিত্র বটে। এখানে কোনো বস্তু একবার প্রচলিত হয়ে গেলে তার যাবতীয় অনিষ্টকারিতা যেন দৃষ্টি থেকে উধাও হয়ে যায় এবং শুধু তার উপকারিতাই লক্ষ্যপথে থেকে যায় তা যতই নিকৃষ্ট ও ক্ষণস্থায়ী হোক না কেন। এর ক্ষতি ও অনিষ্টের প্রতি অধিকাংশ লোকই দৃষ্টিপাত করে না, যদিও তা অত্যন্ত তীব্র ও ব্যাপক হয়।
প্রথা ও প্রচলন মানব-মনের জন্য একটি সূক্ষ্ম বিষক্রিয়া, যা মানুষকে অচেতন করে দেয়। অনেক কম ব্যক্তিই প্রথা ও প্রচলন সম্পর্কে তথ্যানুসন্ধানে প্রবৃত্ত হয়ে একথা বুঝতে চেষ্টা করে যে, এতে উপকার কতটুকু আর ক্ষতিই বা কতটুকু? বরং কারও সতর্ক করার দরুণ যদি ক্ষতিগুলো কারও দৃষ্টিতে ধরাও পড়ে, তবুও প্রথা ও প্রচলনের অনুবর্তিতা তাকে সঠিক পথে আসতে দেয় না। বর্তমান যুগে সুদ মহামারীর আকার ধারণ করেছে। সমগ্র বিশ্ব এর রাহুগ্রাসে পতিত। এটি মানব-স্বভাবের রুচিকে বিকৃত করে দিয়েছে। ফলে মানুষ তিক্তকে মিষ্ট মনে করতে শুরু করেছে এবং যে বিষয়টি সমগ্র মানবতার জন্য অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ, তাকেই তাদের অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান ভাবতে শুরু করেছে। আজ কোনো চিন্তাবিদ এর বিপক্ষে আওয়াজ তুললে তাকে অপরিণামদর্শী ও অবাস্তব চিন্তাধারার লোক বলেই অভিহিত করা যায়। কিন্তু যে চিকিৎসক কোনো দেশে ব্যাপকাকারে মহামারী ছড়িয়ে পড়তে এবং চিকিৎসা ব্যর্থ হতে দেখে মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করে যে, এ রোগ রোগই নয়; বরং সুস্থতা ও সাক্ষাৎ আরাম, সে প্রকৃত অর্থে চিকিৎসকই নয়; বরং মানবতার সাক্ষাৎ শত্রু। পারদর্শী চিকিৎসকের কাজ এ সময়েও এছাড়া অন্য কিছুই নয় যে, সে মানুষকে এ রোগ ও তার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং প্রতিকারের পন্থা বলতে থাকবে। আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম মানব-চরিত্র সংশোধনের দায়িত্ব নিয়ে আগমন করেছেন। তাদের কথা কেউ শুনবে কি না, তারা এর পরোয়া করেননি। তারা যদি মানুষের শোনার ও মান্য করার অপেক্ষা করতেন, তবে সারা বিশ্ব কুফর ও শিরকে পরিপূর্ণ থাকত। শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রচারকার্যে আদিষ্ট হয়েছিলেন, তখন কালিমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুর মান্যকারী কে ছিল?
সুদকে যদিও বর্তমান অর্থনীতির মেরুদণ্ড মনে করা হচ্ছে; কিন্তু বাস্তব সত্য আজও কোনো কোনো পাশ্চাত্য-দেশীয় পণ্ডিত স্বীকার করছেন। তাদের মতে সুদ অর্থনীতির মেদরুণ্ড নয়; বরং মেরুদণ্ডে সৃষ্ট এমন একটা দুষ্ট ক্খত, যা অহরহ তাকে খেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয, আজকালকার অনেক বিচক্ষণ লোকও কোনো সময় প্রথা ও প্রচলনের সংকীর্ণ গণ্ডি অতিক্রম করে এদিকে লক্ষ করেন না যে, সুদের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি কী? দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এসব বিচক্ষণের দৃষ্টি এদিকে আকৃষ্ট করে না যে, সুদের অবশ্যম্ভাবী ফলশ্রুতিতে সাধারণ মানুষ এবঙ গোটা জাতি দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার শিখার হয়ে যায়। দরিদ্র আরও দরিদ্র হতে থাকে এবং গুটিকতেক পুঁজিপতি জাতির অর্থ দ্বারা উপকৃত হয়ে বরং বলা উচিত যে, জাতির রক্তশোষণ করে স্ফীত হতে থাকে। আশ্চর্যের বিয়, যখন এসব বুদ্ধিজীবীর সামনে এ সত্যটি তুলে ধরা হয়, তখন তারা একে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার জন্য আমাদেরকে পাশ্চাত্যের অর্থনীতির ক্ষেত্রে সুদের উপকারিতা প্রত্যক্ষ করতে ইপদেশ দেন এবং দেখাতে চান যে, তারা সুদভিত্তিক অর্থনীতির কল্যাণেই এমন সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। ক্তিু এর দৃষ্টান্ত এমন, যেমন কোনো নরখাদক সম্প্রদায় তাদের এ অভ্যাসের উপকারিতা দেখানোর জন্য আপনাকে সরখাদকদের মহল্লায় নিয়ে গেল এবং দেখাল যে, এরা কেমন মোটা-তাজা, সবল ও সুস্থ। এরপর সে প্রমাণ করে যে, এদের অভ্যাস-আচরণই অনুসরণীয় ও উত্তম আচরণ। কিন্তু কোনো সমঝদার লোকের সাথে এ ব্যক্তির মোকাবেলা হলে সে বলবে-তুমি এ নরখাদকদের ক্রিয়াকর্মের বরকত এদের মহল্লায় গিয়ে দেখো। সেখানে দেখবে শত শত, হাজার হাজার নরকঙ্কাল পড়ে রয়েছে। এদের রক্ত ও মাংস খেয়ে খেয়ে এ সিংহ্রারা লালিত হচ্ছে। ইসলাম ও ইসলামী শরীয়ত কখনো এরূপ কার্যকে উপকারী বলে মেনে নিতে পারে না, যার ফলে সমগ্র মানব সমাজ বিপর্যয়ের শিকার হয় এবং কিছুসংখ্যক লোক ও তাদের তল্পীবাহকরা সমৃদ্ধি অর্জন করতে থাকে।
সুদের অর্থনৈতিক অনিষ্ট : সুদের ফলে গুটিকতেক লোকের উপকার এবং সমগ্র মানব সম্প্রদায়ের ক্ষতি হয়; এছাড়া সুদের মধ্যে যদি অন্য কোনো দোষ না-ও থাকত তবে এ দোষটিই সুদ নিষিদ্ধ ও ঘৃণিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।অথচ এতে এছাড়া আরও অর্থনেতিক অনিষ্ট এবং আত্মিক বিপর্যয় বিদ্যমান রয়েছে।
সুদের মাধ্যমে সমগ্র জাতির বিপর্যয় ঘটিয়ে বিশেষ একটি শ্রেণীর উপকার কীভাবে হয়, প্রথমে তা-ই দেখা যাক। সুদের মহাজনী ও অধুনালুপ্ত পদ্ধতি এমন বিশ্রী ছিল যে, বৃহত্তম মানব সমাজের ক্ষতি ও বিশেষ ব্যক্তিবর্গের উপকারের বিষয়টি যে কোনো স্থূল-বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তির পক্ষেও বোঝা কঠিন ছিল না। কিন্তু আজকালকার নতুন প্রেক্ষাপটে মদকে মেশিনে পরিশোধিত করে, ডাকাতির নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করে, এবং ব্যভিচার ও নির্লজ্জতার নতুন নতুন কৌশল বের করে এ সবগুলোকেই সভ্যতার খোলস পরিয়ে দিয়েছে; যাতে এদের অভ্যন্তরীণ অনিষ্ট বাহ্যদর্শীদের দৃষ্টিগোচর না হয়, তেমনিভাবে সুদের জন্য ব্যক্তিগত গদির পরিবর্তে যৌথ কোম্পানি গঠন করেছে-যাকে ব্যাংক বলা হয়। এখন জগদ্বাসীর চোখে ধূলি দেওয়ার জন্য বলা হয় যে, সুদের এ আধুনিক পদ্ধতি দ্বারা সমগ্র জাতির উপকার হয়।
কেননা, যে জনগণ নিজ টাকা দ্বারা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে জানে না কিংবা স্বল্প পুঁজির কারণে করতে পারে না, তাদের সবার টাকা-পয়সা ব্যাংকে জমা হয়ে প্রত্যেকেই অল্প হলেও কিছু না-কিছু মুনাফা পেয়ে যায়। বড় বড় ব্যবসায়ীরাও ব্যাংক থেকে সুদের উপর ঋণ নিয়ে বড় ব্যবসা করে উপকৃত হওয়ার সুযোগ পায়। এভাবে সুদ বর্তমানে একটি কল্যাণকর বস্তুতে পরিণত হয়েছে এবং গোটা জাতি এর দ্বারা উপকার পাচ্ছে।
কিন্তু ইনসাফের দৃষ্টিতে দেখলে এটি একটি প্রতারণা বৈ কিছুই নয়। মদের দুর্গন্ধময় দোকানকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হোটেলে এবং পতিতাবৃত্তির আড্ডাগুলোকে সিনেমা ও নৈশক্লাবে রূপান্তরিত করে, বিষকে প্রতিষেধক এবং ক্ষতিকারক উপকারীরূপে দেখাবার প্রয়াসে এ প্রতারণাকে কাজে লাগানো হয়েছে। চক্ষুষ্মানের সামনে যেমন একথা দিবালোকের মতো সুস্পষ্ট যে, চরিত্রবিধ্বংসী অপরাধসমূহকে আধুনিক পোশাক পরিয়ে দেওয়ার ফলে যেমন এসব অপরাধের ব্যাপকতা পূর্বের চাইতে বেড়েই গেছে, তেমনি সুদখোরীর এ নতুন পদ্ধতি শতকরা কয়েক টাকা সুদ জনগণের পকেটে পুরে দিয়ে একদিকে তাদের এ জঘন্য অপরাধে শরীক করেছে এবং অপরদিকে নিজেদের জন্য এ অপরাদের অসীম ক্ষেত্র প্রস্তুত করে নিয়েছে।
কে না জানে যে, জনগণ সেভিংস ব্যাংক (অ্যাকাউন্ট) ও পোস্ট অফিস থেকে যে শতকরা কয়েক টাকা সুদ পায়, তদ্বারা কিছুতেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে না। তাই তারা ভাষণ-পোষণের জন্য কোনো মজুরি কিংবা চাকুরি খুঁজতে বাধ্য। ব্যবসা-বাণিজ্যের দিকে প্রথমত তাদের দৃষ্টি যায় না। যদি কেউ এদিকে মনোনিবেশ করেও, তবে গোটা জাতির পুঁজি ব্যাংকে জমা হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য যে আকার ধারণ করেছে, তাতে কোনো স্বল্প পুঁজির অধিকারীর পক্ষে ব্যবসায়ে প্রবেশ করা স্বপ্নবিলাসের পর্যায়েই থেকে যায়। কেননা, যে ব্যবসায়ীর বাজার প্রভাব-প্রতিপত্তি আছে এবং বড় কারবার আছে, ব্যাংক তাকেই বড় পুঁজি ঋণ দিতে পারে। দশ লক্ষের মালিক এক কোটি ঋণ পেতে পারে। সে তার ব্যক্তিগত টাকার তুলনায় দশগুণ বেশি টাকার ব্যবসা চালাতে পারে।
পক্ষান্তরে, স্বল্প পুঁজির অধিকারী ব্যক্তির কোনো প্রভাব-প্রতিপত্তিই থাকে না এবং ব্যাংকও তাকে বিশ্বাস করে না যে, পুঁজির দশগুণ বেশি দিয়ে দেবে। এক লাখ তো দূরের কথা, তার এক হাজার পাওয়াই কঠিন। মনে করুন, কেউ এক লাখ টাকার মালিক সাথে ব্যাংকের নয় লাখ টাকার পুঁজি খাটিয়ে দশলাখ টাকার ব্যবসা করে। যদি তার শতকরা এক টাকা মুনাফা হয়, তবে তার নিজস্ব এক লাখ টাকায় যেন শতকরা দশ টাকা মুনাফা হলো। পক্ষান্তরে, যদি কোনো ব্যক্তি শুধু ব্যক্তিগত টাকা দ্বারা এক লাখ টাকার ব্যবসা করে, তবে এক লাখের মুনাফা শতকরা এক টাকাই হবে। এ মুনাফা তার প্রয়োজনীয় খরচাদির জন্যও হয়ত যথেষ্ট নয়। এদিকে বাজারে বড় পুঁজিপতি যে দর ও রেয়াতসহ কাঁচামাল পায়, ছোট পুঁজিপতি তা পায় না। ফলে স্বল্প পুঁজিওয়ালা পঙ্গু ও মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। যদি তার কপাল মন্দ হয় এবং সে-ও কোনো বড় ব্যবসায়ে প্রবেশ করে, তবে বৃহৎ পুঁজিপতিরা তাকে অনধিকার প্রবেশকারী মনে করে নিজের ক্ষতি স্বীকার করেও বাজার এমন পর্যায়ে নিয়ে আসে যে, ক্ষুদ্র পুঁজিপতিরা আসল ও মুনাফা উভয়ই খুইয়ে বসে। ফলে বৃহৎ পুঁজিপতিদের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।
