প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০১৬,রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৭ হিজরী,মাঘ-ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়

Aggression ইংরেজি ভাষার একটি শব্দ। বাংলা ভাষায় এই ইংরেজি শব্দের যতো প্রতিশব্দ আছে, তন্মধ্যে আগ্রাসন শব্দটি শুধু যুৎসই-ই নয়, সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্যও বটে। ইংরেজি এ্যাগ্রেশন আর বাংলা আগ্রাসন, দুই ভাষায় দুই শব্দের একই অর্থ, একই ছন্দ, অপূর্ব মহামিলন, যেন সোনায় সোহাগার মিলন। এই এ্যাগ্রেশন আর আগ্রাসনের মধ্যে ছন্দের, অর্থের, ভাব ও ব্যঞ্জনার মহামিলন। এ দুয়ের যে কোন একটি যখন অপরের উপর চড়াও হয়, তখন ভীষণ হিংস্ররূপ ধারণ করে। এদের অবশ্য নিজস্ব কোন শক্তি বা রূপ নেই, অন্যকে বাহন বানিয়ে বাহাদুরী করে। অর্থনীতিকে বাহন করে অর্থনৈতিক আগ্রাসন চালায়, রাজনীতিকে বাহন করে চালায় রাজনৈতিক আগ্রাসন। অনুরূপভাবে সংস্কৃতিকে বাহন করে চালায় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন!

আগ্রাসনের কখানা মুখ, কখানা হাত, কটি পা আর কটি চোখ রয়েছে, তা নিরূপণ করা মুশকিল। আগ্রাসনের যেমন নানা বাহন আছে, তেমনি আছে নানা হাতিয়ার। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এই আগ্রাসন সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ও সচল। এ ক্ষেত্র এর সাফল্য শতভাগ। কারণ, এ সংস্কৃতি সম্মোহনের একটা জাল ফেলে প্রথমে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে। অতঃপর সম্মোহনে সম্মোহিত ও তন্দ্রাচ্ছন্ন জাতির ওপর চালায় সাংস্কৃতিক অপারেশন। জাতির মধ্যে তখন কোন বোধ বা চেতনা থাকে না। যেমন এনেসথেশিয়া প্রাপ্ত মানুষের গোটা দেহ কেটে টুকরা টুকরা করলেও রোগী আহ্ উহ্ শব্দ করতে পারে না। কারণ, সে অনুভূতিই থাকে না। তেমনি সংস্কৃতির আগ্রাসনের অপারেশন যাদের ওপর দিয়ে চলে, তাদের অনুভূতি আর চেতনা কণামাত্র থাকে না। সাংস্কৃতিক আগ্রাসন তখন তার বিবিধ হাতিয়ার থেকে যখন যেটা প্রয়োজন তা ব্যবহার করে। এ আগ্রাসনের একটি হাতিয়ারের নাম হলো শব্দ-সংস্কৃতি।

বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা, বিশেষ করে বাংলাদেশের মুসলমানরা শব্দ-সংস্কৃতির আগ্রাসনের নির্মম শিকার। এই উপমহাদেশ ভাগ হওয়ার পর থেকে ওপার বাংলার সংস্কৃতিক আগ্রাসন চালাতে থাকে। তারা কিছুটা সক্ষমও হয়, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয় ব্যর্থ। তারা যতটুকু সফল হয়, ততটুকু নিখুঁত ও মজবুতভাবেই সফল হয়, স্বল্প সংখ্যক বীজ অংকুরিত হয়ে কিশলয়ে পরিণত হয় এবং ধীরে ধীরে মহীরুহের পূর্ণতা লাভ করে। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদুয়ের পর অতীতের কালো ঘোড়া লাগাম ও সহিসবিহীন অবস্থায় এপার বাংলার সর্বত্র সফর করে রাজধানীতে অবস্থান নেয়। ওপারের সংস্কৃতি-বাবুরা তাদের অনুগত এপারের সেবাদাস ও দাসীদের সহযোগিতায় এতদিনের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে লেগে যায়। আগে যা সাফল্য তারা লাভ করেছিল, এর সঙ্গে নতুন উদ্যোমে গোটা নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে সচল করে তোলে। তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালায়। চলচ্চিত্র, সাহিত্য, সাংবাদিকতা, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ সামাজিকতা ও ভাষাসহ বহুক্ষেত্রে একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালায়। ভাষার মধ্যে শব্দ-সংস্কৃতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, একে তারা গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে। আমি বলবো, তাদের প্রচেষ্টা সফল। ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক, জ্ঞাতে হোক বা অজ্ঞাতে হোক অথবা অসাম্প্রদায়িক হওয়ার এলার্জি থাকার কারণেই হোক, তাদের শব্দ সংস্কৃতিকে অনেকে গ্রহণ করে নিয়েছেন। যারা গ্রহণ করে নিয়েছেন, তাদের মধ্যে বাবু-সংস্কৃতির দর্শনপন্থীরা তো রয়েছেন, তারা তো থাকবেনই। কারণ, উদ্যোক্তারা বাদ থাকেন কেমন করে? যারা এই বাবু-সংস্কৃতির বিরোধী, তারাও মনের অজ্ঞাতে অজান্তে সেই জালে আটকা পড়ে তাদের শব্দ সংস্কৃতি অনুসরণ ও অনুকরণ করছেন।

এ তালিকায় আছেন এমন অনেক, যাদের নাম শুনলে বিশ্বাসই হয় না যে, তারা এই দর্শনের শব্দ-সংস্কৃতি অনুসরণ করতে পারেন। আমার এ আলোচনা তাদের ভুল শোধরিয়ে দেয়ার জন্য। সাথে সাথে মুসলিম নবীন লেখকদেরও সচেতন করে তোলা, যাতে তারা নিজেদের লেখায় অপসংস্কৃতিমূলক শব্দ ব্যবহার না করেন। সাধারণ আলাপচারিতায়ও সতর্কতার সাথে আমাদের কথা বলতে হবে। মাহফিলে-মজলিশে, সেমিনারে-সিম্পোজিয়ামে আর ছোট-বড় সভা-সমিতিতে যারা বক্তব্য রাখেন, তাদেরও শব্দ প্রয়োগে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে তাদের জবানে অপসংস্কৃতি মূলক কোন শব্দ বের হয়ে না যায়। আমার এ আলোচনা সাধারণভাবে প্রত্যেক বাংলা ভাষাভাষী। মুসলমানের জন্য তবে বিশেষ করে মুসলিম লেখক ও বক্তাদের জন্য। আমিও অতীতে অপসংস্কৃতিমূলক অনেক শব্দ না জেনে ব্যবহার করেছি। এ জন্য এখন অনুতাপ করি। সাধ্য মতো শুধরিয়ে নিচ্ছি। যা শোধরানো সম্ভব নয়, এ জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চাই, তিনি যেন মাফ করে দেন।

তবে অপসংস্কৃতিমূলক শব্দ থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে সাধারণ মুসলমান আংশিকভাবে হলেও স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করে চলছেন। যেমন বাংলাদেশের অনেক এলাকায় ও জনপদে একই ভাষাভাষী বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী লোক বাস করেন। তারা একই ভাষায় একে অন্যের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করে থাকেন। এমনকি এলাকাভিত্তিক সামাজিক অনুানও এক সাথে করেন। কিন্তু এখানে লক্ষণীয় যে, একই ভাষায় কথা বলা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করে থাকেন। সুখে-দুঃখে-আবেগে ও প্রয়োজনে কেউ বলছেন আল্লাহ, কেউ বলছেন ভগবান, কেউ বলছেন পানি, কেউ বলছেন জল। মোট কথা, অভিন্নতার মধ্যেও সাংস্কৃতিক ভিন্নতার সুস্পষ্ট আলামত লক্ষ্য করা যায়। হাজার বছর পাশাপাশি বাস করার পরও সাংস্কৃতিক পার্থক্য রেখা এখনও মুছে যায়নি। তবে একটি কথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, সম্প্রতি পরকীয়া শব্দ-সংস্কৃতির প্রভাব ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ওপর প্রায়ই পড়েনি। বাংলাদেশের মুসলমানরাই প্রথমে আগ্রহ সহকারে হিন্দু নাম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কোন হিন্দু পরিবার কখনো মুসলমানী নাম গ্রহণ করেছেন এমন কোন নজীর আছে বলে আমি জানি না। আমাদের মধ্যে যারা অপসংস্কৃতি বিরোধী বলে দাবি করেন, তাদের মধ্যে অনেকে আছেন, অপসংস্কৃতিকে সমালোচনা করতে গিয়ে লেখায় বা বক্তৃতায় কখনও কখনও এমন শব্দ ব্যবহার করেন, যা অবচেতন মনে বা অজ্ঞতার কারণে অপসংস্কৃতিমূলক শব্দকেই গ্রহণ করে নেন। একবার এক সংস্কৃতি সেমিনারে জনৈক বক্তা তার ১০ মিনিটের বক্তৃতায় ৬ বার ভাবমূর্তি শব্দটি উচ্চারণ করেন, অথচ তিনি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন ইসলামী সংস্কৃতির ওপর। বাংলা ভাষায় পবিত্র কোরআন ও হাদীসের যে সব তরজমা ও তফসির প্রকাশিত হয়েছে, তাদের প্রায় সব কটিতে অপসংস্কৃতিমূলক অনেক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন উপাস্য, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, তীর্থ, উপাসনা, ঐশীবাণী, দৈববাণী ইত্যাদি। ভিন শব্দ-সংস্কৃতির প্রভাব মুসলমানদের মধ্যে দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আমার এই দুর্বল কলম দ্বারা এই স্রোতের মুকাবিলা করা কতটুকু সম্ভব তা আমি ভালভাবে বুঝি, তবুও ভরসা এই, যদি আল্লাহ আমার এই প্রচেষ্টাকে কবুল করে নেন, নেক প্রচেষ্টার ওপর রহমত বর্ষণ করেন, এই লেখার পাঠকদের মধ্য থেকে ক্ষুদ্র একটি অংশকেও যদি তিনি হেদায়াত করেন, তাহলে মনে করবো আমার প্রচেষ্টা সফল। এবার আমরা দেখি, কোন কোন শব্দ এক একটি বিষধর স্বর্প হয়ে আমাদের ঈমান-আক্বিদায় ছোবল মারছে।

অগ্নিকন্যা/ অগ্নিপুরুষ

পবিত্র কোরআন ও হাদীস আমাদের শিক্ষা দিচ্ছে মানুষ আগুনের তৈরি নয়, মাটির তৈরি, শয়তান জাতি আগুনের তৈরি। মুসলমানদের মৃত্যুর পর তাকে মাটির কবরে সমাহিত করা হয়। মাটির দেহ মাটিতে মিশে যায়। এ জন্য মুসলমানরা কোন মুসলিম লাশকে আগুনে পোড়ায় না। আগুনকে আমরা ব্যবহার করি প্রয়োজনে। যাকে বলে ব্যবহারের প্রয়োজনে ব্যবহার। আগুনকে আমরা পূজা করি না, এই আগুন নামের প্রতি আমাদের কোন মোহ নেই। মুসলমানদের মধ্যে কোন অগ্নিপূজারী নেই। মুসলমানদের ধর্ম বিশ্বাসে নেই কোন অগ্নিদেবতা বা অগ্নি অবতার। সুতরাং আগুনকে এবাদতের বস্তু জ্ঞান করে আগুনের বৈশিষ্ট্যকে এবং তার প্রকৃতিকে মানব চরিত্রে চরিত্রায়ন করে আমাদের কেউ অগ্নিকন্যা বা অগ্নিপুরুষ হতে পারেন না। এমনকি তা হওয়ার অভিনয় করাও বেদায়াত। কেউ কেউ হয়তো বলবেন, অগ্নিকে আমরা ভাল অর্থে অগ্নি-প্রকৃতি বা এর তেজকে বিক্রয়ের প্রতীক হিসাবে গ্রহণ করে থাকি, এতে দোষের এমন কি আছে? এ জিজ্ঞাসার জবাবে আমার কথা হলো, অবশ্যই দোষের আছে। মানব চরিত্রের তেজস্বিতা আগুনের সাথে তুলনা করার মতো নয়, তা তুলনাও করা যায় না। এমনকি অগ্নি উপাসকরা অগ্নিকে পূজা করে একটি শক্তি জ্ঞান করে, কিন্তু পূজার আগুনে কখনো ভুলে হাত দেয় না। মুসলমানদের ঈমান হচ্ছে এই, আল্লাহ পাক মাটির যে দেহে ঈমানের নূর দিয়েছেন, সেই নূরের তজল্লীতে নমরুদের অগ্নিকুণ্ডের আগুনও দাহ্য-ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, নূরধারী দেহ অক্ষত থাকে। দোযখের আগুনও তাদের স্পর্শ করতে পারবে না। এমন একটি দ্বীনের ঈমানে অগ্নিকন্যা আর অগ্নিপুরুষ -এর সহ অবস্থান কি যৌক্তিক, না সম্ভব? আমরা জাহান্নামের আগুন থেকে পানাহ চাই। সেই আগুনের খাস্লত চরিত্রে ধারণ করে আমরা হতে চাই না অগ্নিকন্যা, অগ্নিপুরুষ এমনকি কঠিন পরীক্ষার নামে অবতীর্ণ হতে চাই না কোন অগ্নিপরীক্ষায়ও। অগ্নিশর্মা হওয়ারও প্রয়োজন নেই। শর্মা ব্রাহ্মণের উপাধি। তাই মুসলমান অগ্নিশর্মা কেমন করে হতে পারে? শিখা অনির্বাণ আর শিখা চিরন্তন নামে গ্যাস পোড়ানো অগ্নিপূজারই বাংলাদেশী সংস্করণ। এই অপচয়ের উদ্যোক্তারা ও পৃষ্ট পোষকরা শয়তানেরই ভাই ও বোন।

অগ্নিকে আমরা অনেক নামে চিনি। যেমন আগুন, অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, বৈশ্বানর। হিন্দু শাস্ত্র মতে, ব্রহ্মার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও দক্ষ কন্যা স্বাহার স্বামী অগ্নি অবতারও বটে। দশটি দিকের মধ্যে অগ্নিকোণ বলতে যে কোনটি আছে (পূর্ব ও দক্ষিণ দিকের মধ্যবর্তী কোণ), এই কোণের একজন অধিদেবতা আছেন, তিনি অগ্নিদেব, তার নাম বৈশ্বানর। বেদে আছে তিন প্রকার অগ্নি নাম, গার্হপত্য, আহবনীয় এবং দক্ষিণ। অগ্নিদাতা সেই পুরুষকেই বলে, যে মরদেহে মুখাগ্নি করে। যে নারী মুখাগ্নি করে সে অগ্নিদাত্রী। সাগ্নিক ব্রাহ্মণের করণীয় বৈদিকযজ্ঞ বিশেষ হচ্ছে অগ্নিষ্টোন আর সাগ্নিকের করণীয় প্রাত্যহিক হোম হচ্ছে অগ্নিহোত্র।

দেবতা বা ব্রাহ্মণের মুখকে বলে অগ্নিমুখ। এই শাস্ত্রে কার্তিকেয়কে বলে অগ্নিকুমার। হিন্দু শাস্ত্র মতে গোটা পৃথিবী একটি অগ্নিকুন্ড। এবার বলুন, আমরা কি এই দর্শন অনুসরণ করে আগুনের মতো তেজস্বিনী কন্যা আর তেজস্বী পুরুষকে অগ্নিকন্যা ও অগ্নিপুরুষ বলতে পারি? হযরত আদম (আঃ)- এর আনুগত্য স্বীকার করেনি ইবলিস যে সব কারণে, তন্মধ্যে প্রধান কারণটি ছিল এই, সে বলেছিল, আমি আগুনের তৈরি আর আদম হলো মাটির তৈরি।

মুসলমানদের মধ্যে যারা অগ্নিকন্যা বা অগ্নিপুরুষ হতে চান বা যারা মুসলিম সমাজে অগ্নিকন্যা বা অগ্নিপুরুষ সৃষ্টি করতে আগ্রহী, উভয়পক্ষের ঈমানের বা বিবেকের পর্দায় কিছু কথা পরীক্ষা যেখানে যথেষ্ট, সেখানে ঈমানের অগ্নিপরীক্ষা লেখা মানে ঈমানকে আগুনের কাছে নিয়ে যাওয়ার নামান্তর। বীণাকেই যখন গ্রহণ করি না, তখন অগ্নিবীণা বা স্বর্ণবীণা হলেই কি? অনেকে বলবেন বেশি বাড়াবাড়ি, কেউ বলবেন সংকীর্ণতা, আমি বলি, যে যাই বলুন, ঈমান আর তাকওয়ার প্রশ্নে যে কোন গালি বা মন্তব্য শুনতে রাজি আছি, কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে মোটেই নড়ছি না। হ্যাঁ, এর ফায়সালা আছে। প্রমাণ করতে হবে আমার কথা ভুল। প্রমাণ করতে না পারলে আমার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ যে সঠিক তা মেনে নিতে হবে। এটাই ফয়সালার একমাত্র শর্ত।