প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়

১. আল্লাহর তসবীহ্ করিতেছে এমন প্রত্যেকটি জিনিস যাহা আকাশ জগতে রহিয়াছে এবং এমন প্রত্যেকটি জিনিস যাহা পৃথিবীর বুকে রহিয়াছে। বাদশাহী তাঁহারই এবং তা’রীফ-প্রশংসাও তাঁহারই জন্য। আর তিনি প্রত্যেকটি জিনিসের ওপর শক্তির অধিকারী১।

২. তিনিই তোমাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছেন। অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেহ কাফের ও কেহ মু’মিন। আর আল্লাহ্ সেই সব কিছুই দেখেন যাহা তোমরা করিয়া থাক।

৩. তিনি পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলকে সভ্যতার ভিত্তিতে সৃষ্টি করিয়াছেন, আর তোমাদের আকার-আকৃতি বানাইয়াছেন এবং অতীব উত্তম বানাইয়াছেন। শেষ পর্যন্ত তোমাদিগকে তাঁহারই দিকে প্রত্যাবর্তিত হইতে হইবে।

৪. পৃথিবীর ও আকাশমণ্ডলের প্রত্যেকটি বিষয়ে তিনি জানেন। তোমরা যাহা কিছু গোপন কর, আর যাহা কিছু প্রকাশ কর২ তাহা সবই তিনি জানেন। তিনি দিলসমূহের অবস্থাও জানেন।

৫. ইতিপূর্বে যাহারা কুফর করিয়াছে এবং তাহার পর নিজেদের কুকর্মের স্বাদ আস্বাদন করিয়াছে, তাহাদের কোন খবর তোমাদের নিকট কি পৌঁছে নাই?… তাহাদের জন্য সামনের দিকেও যন্ত্রণাদায়ক আযাব রহিয়াছে।

৬. তাহারা এইরূপ পরিণতির সম্মুখীন এই জন্য হইয়াছে যে, তাহাদের নিকট তাহাদের নবী-রসূলগণ সুস্পষ্ট ও উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ লইয়া আসিতেছিল; কিন্তু তাহারা বলিয়াছে, ‘মানুষ আমাদিগকে হেদায়াত দিবে নাকি?’ এইভাবে তাহারা মানিয়া লইতে অস্বীকার করে এবং মুখ ফিরাইয়া লয়। তখন আল্লাহ্ও তাহাদের ব্যাপারে বে-পরোয়া হইয়া গেলেন। আর আল্লাহ তো স্বতঃই পরোয়াহীন ও স্বীয় সত্তায় সুপ্রশংসিত।

৭. অমান্যকারীরা ধৃষ্টতা সহকারে বলিল, মৃত্যুর পর কখনই তাহাদিগকে পুনরায় উঠানো হইবে না।

১ অর্থাৎ তিনি সর্বশক্তিমান। তিনি যা ইচ্ছা করতে পারেন, কোন শক্তি তাঁর ক্ষমতাকে রোধ করতে পারে না।
২ দ্বিতীয় প্রকার অনুবাদ এও হতে পারে যে- ‘তোমরা গোপনে যা-কিছু কর এবং প্রকাশ্যে যা কিছু কর’