প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১০ম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১৭, জমা.সানি-রজব ১৪৩৮ হিজরী, চৈত্র-বৈশাখ ১৪২৩-২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়

আর তোমরা লক্ষ করিতেছ, উহারা আসা হইতে বড়ই অহমিকা সহকারে বিরত থাকে।
৬. হে নবী। তুমি ইহাদের জন্য মাগফিরাতের দো’আ কর আর না-ই কর, ইহাদের জন্য সমান কথা, আল্লাহ কখন-ই ইহাদিগকে মা’ফ করিবেন না। … আল্লাহ ফাসেক লোকদিগকে কখনই হেদায়াত দেন না।

৭. ইহারা সেই লোক যাহারা বলে যে, রসূলের সঙ্গী-সাথীদের জন্য অর্থ ব্যয় করা বন্ধ করিয়া দাও, যেন ইহারা ছিন্ন-ভিন্ন হইয়া যায়। অথচ পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলের সমস্ত ধন-ভাণ্ডারের মালিক একমাত্র আল্লাহ-ই, কিন্তু এই মুনাফিকরা বুঝে না।

৮. ইহারা বলে: আমরা মদীনায় প্রত্যাবর্তন করিলে যে সম্মানিত সে হীনকে সেখান হইতে বহিষ্কৃত করিবে৫।
অথচ মানমর্যাদা তো আল্লাহ, তাঁহার রসূল এবং মু’মিনদের জন্য। কিন্তু এই মু’নাফিকরা জানে না।

৯. হে লোকরা যাহারা ঈমান আনিয়াছ, তোমাদের ধন-সম্পদ এবং তোমাদের সন্তান-সন্তুতি যেন তোমাদিগকে আল্লাহর স্মরণ হইতে গাফিল করিয়া না দেয়। যাহারা এইরূপ করিবে তাহারাই ক্ষতিগ্রস্ত হইবে।

১০. যে রিযক্ আমরা তোমাদিগকে দিয়াছি তাহা হইতে ব্যয় কর-এর পূর্বে যে, তোমাদের কাহারও মৃত্যু সময় আসিয়া উপস্থিত হয় ও তখন সে বলে: হে আমাদের রব, তুমি আমাকে আরও একটু অবকাশ দিলে না কেন, যখন আমি দান-সাদকা করিতাম ও নেক-চরিত্রবান লোকদের মধ্যে গণ্য হইয়া যাইতাম।

১১. অথচ যখন কাহারও কর্ম-সময় পূর্ণ হইয়া যাওয়ার মুহূর্ত পড়ে, তখন আল্লাহ তাহাকে কক্ষণই অধিক অবকাশ দেন না। আর তোমরা যাহা কিছু কর আল্লাহ সে বিষয়ে পূর্ণ ওয়াকিফহাল রহিয়াছেন।

১ অর্থাৎ মাত্র এই পর্যন্ত ক্ষান্ত হতো না; রসূলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনার জন্যে না এসেই মাত্র তারা ক্ষান্ত হতো না, বরং একথা শুনে অহংকার ও গর্বে তারা মাথা ঝাঁকাতো ও রসূলের কাছে আসা ও মাফ চাওয়াকে নিজেদের পক্ষে অপমানকর মনে করে আপন জায়গায় জমে বসে থাকতো। তাদের মু’মিন না হওয়ার এ হচ্ছে সুস্পষ্ট চিহ্ন।