প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
প্রশ্ন-৫৫ : আচ্ছা মুহাতারাম রোযার মাধ্যমে কিভাবে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব ?
উত্তর : রোযা বা fasting রোগ থেকে মুক্ত থাকার অন্যতম উপায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন যে, এই সাওম বা রোযা রাখার বিধান পূর্ববর্তী নবীগণের উম্মতের জন্যও ফরয করা হয়েছিল। (আল বাকারাহ, আয়াত-১৮৩)ইমাম কুরতুবী (রহ.) উল্লেখ করেছেন যে হযরত মুজাহিদ (রহ.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা রমযানে রোযা প্রত্যেক উম্মতের ওপর ফরয করেছেন। (আল-জামিলি আহকামিল কুরআন লিল কুরতুবী, ২/২৭৪) অনুরূপ ইবনে কাছীর (রহ.)ও তদীয় তফসীরে হযরত হাসান বসরী (রহ.)-এর থেকে বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। আমি বেশি কয়েকটি তাফসীরগ্রন্থ অধ্যয়ন করেও জানতে পারিনি যে পূর্ববর্তী উম্মতগণের রোযার সংখ্যা, সময়কাল ও অন্যান্য বিস্তারিত বিবরণ কী ছিলো। অর্থাৎ তারা দিনে কয় ঘণ্টা রোযা রাখতেন, বছরে কতোদিন ইত্যাদি। যাহোক, এটি সত্য যে, মানব সমাজের সামগ্রিক কল্যাণের জন্যই রোযার এ বিধান দেয়া হয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা রোযা রাখো, সুস্থ থাকবে। (আল মুজামূল আওসাত)
প্রশ্ন-৫৬: আচ্ছা নামাযের মাধ্যমে কীভাবে রোগ থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব ?
উত্তর : নামাযের মাধ্যমে রোগ নিরাময় বা রোগ থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব। নামাযের যেসব physical activities রয়েছে, তা প্রত্যেকটি মানবদেহের াvarious physiological and respiratory process গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। It helps in many ways. নামাযে নড়াচড়া ও উঠা-বসায় রক্ত সঞ্চালনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেরই সামঞ্জস্যশীল মাঝারি ধরনের দৈহিক ব্যায়াম হয়। চর্বির স্ফীতিরোধে সর্বোত্তম পন্থা হলো ব্যায়াম। আর নামায সেই কাজটিই করে। তাছাড়া তাকবীর, কিয়াম, জলসা, রুকু-সিজদা, তাশাহহুদ-দরূদ, সালাম ইত্যাদি কাজ দেহের বিভিন্ন অংশে অনেক উপকার সাধন করে।জামায়াতে নামায পড়ার জন্য দৈনিক পাঁচবার মসজিদে উপস্থিতি, বাড়ি থেকে মসজিদ আর মসজিদ থেকে বাড়ি যাতায়াত। এ কাজটি যদি কেউ দিনে পাঁচবার করেন তাহলে সেটা প্রায় এক মাইল বা এক কিলোমিটার দূরত্বের সমান হয়। অবশ্য মসজিদের পাশেই যাদের বাড়ি তাদের কথা আলাদা। এভাবে প্রতিদিন কেউ যদি এক কি.মি. পথ হাঁটাহাঁটি বা exercise করেন তাহলে তার diabetes হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আর থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে।আপনারা যারা শহরে বাস করেন, বিশেষ করে যারা ঢাকা শহরে থাকেন তারা সকাল বেলা গণভবনে বা সংসদ ভবন এলাকায় গিয়ে দেখুন, কতো লোক হাঁটাহাঁটি করছে। সকালে অনেকে প্রায় এক ঘণ্টা হাঁটেন। এ সবই সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য বা স্বাস্থ্যকে অটুট রাখার জন্যই। অপরদিকে নামাযের উযূতে, যা দিনে পাঁচবার করা হয়, তাতে দেহ ও মনের অনেক উপকার হয়। শরীরের যে কয়টি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সর্বদা খোলা থাকে, ধূলাবালি যেখানে সহজে পড়ে, উযূতে যেসব অঙ্গ ধোয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তাই পাঁচবার কেউ উযূ করলে তিনি সর্বদা সুস্থ বা ভৎবংয থাকবেন। ক্লান্তিবোধ তার থাকবেনা। দেহ ও মন উৎফুল্ল থাকবে। মিসওয়াক করা ও মুখমণ্ডল পাঁচবার ধোয়া স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের দৃষ্টি্তে উত্তম কাজ।
নামায রোগমুক্ত করে। এ বিষয়ে হযরত আবু হুরায়রা (রা.) একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরত করলেন, আমিও হিজরত করলাম। আমি নামায পড়ার পর তাঁর পাশে বসলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিকে দৃষ্টিপাত করে বললেন, তোমার পেটে কী ব্যথা আছে? আমি বললাম, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি বললেন, তুমি উঠে দাঁড়িয়ে নামায পড়ো। কেননা নামাযের মধ্যে রোগমুক্তি আছে। (ইবনে মাজাহ ও আস-সয়ূতী) হযরত আবুল হাসান আল-কাত্তান-ইবরাহীম ইবনে নাসর-আবু-সালামা-দাঊদ ইবনে উলবা (রা.) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে আরো আছে যে তিনি ফারসী শব্দযোগে (দরদভরা কণ্ঠে) বলেন, তোমার পেটে কি ব্যথা অনুভব করছো? আবু আব্দুল্লাহ (রহ.) বলেন, এক ব্যক্তি এ হাদীসের বরাতে তার পরিবারবর্গকে বললো, নামাযের দ্বারা সাহায্য নিয়ে সাফল্য অর্জন করো। (ইবনে মাজাহ)
বস্তুত নামাযে যদি আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুসরণ করি অর্থাৎ, তিনি যে নিয়মে নামায পড়েছেন বা পড়তে বলেছেন, তা যদি সঠিকভাবে মেনে চলি, তাহলে শরীরের এমন কোনো অঙ্গ বাকি থাকে না যার ব্যায়াম এমনি উত্তম পদ্ধতিতেই হয়ে যায়না। Medical scicnce আজকাল হাত, মুখ, নাক, পা ইত্যাদি ধোয়াকে রোগ প্রতিরোধের স্বাস্থ্যসম্মত উপায় হিসেবে বর্ণনা করেছে। অমুসলিম সম্প্রদায় মাত্র কিছুদিন পূর্বে বুঝতে পেরেছে যে ঘন ঘন hand washing -এর গুরুত্ব কতো বেশি। তাই আজকাল রোগ-জীবাণুর বিস্তার রোধে হাসপাতাল ও ক্লিনিক ঘন ঘন hand washing-এর নিয়ম প্রচলন করেছে। বর্তমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) হাত ধোয়া দিবস\’ পালন করছে যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত শিক্ষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়।
প্রশ্ন-৫৭ : আমরা গত কয়েকটি পর্বে স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও পবিত্রতার মূলনীতিসমূহ নিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত বিধি-বিধান সম্পর্কে আলোচনা করেছি। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দৈনন্দিন জীবনে তথা স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য বেশকিছু দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তা মেনে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এসব বিষয়ে ইসলামের বিধান আর চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপদেশ এ দুটোর সমন্বয় করে আলোচনা করুন।
উত্তর : হ্যাঁ, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে বেশ কতগুলো বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও নিরাপত্তার জন্য চারটি সুনির্দি উপদেশ দিয়েছেন, যা মেনে চললে আমাদের সঠিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
হযরত জাবির (রা.) হতে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা নিদ্রা যাবার কালে তৈজসপত্রসমূহ ঢেকে রাখবে, মশকগুলোর মুখ বন্ধ করবে, দরজা-জানালা বন্ধ করে দিবে এবং বাতিগুলো নির্বাপিত করবে। কেননা শয়তান মশকের মুখ ছুটাতে পারে না, বন্ধকৃত দরজা খুলতে পারে না এবং আবৃত পাত্র অনাবৃত করতে পারে না। যদি তোমাদের কেউ পাত্র ঢাকার জন্য কাঠি ছাড়া আর কিছু না পায়, তবে তাই পাত্রের মুখের ওপর রেখে যেনো আল্লাহর নাম নেয়। জেনে রাখবে, (চেরাগ বা বাতি জ্বালিয়ে ঘুমালে) ইঁদুর গৃহকর্তার ঘর জ্বালিয়ে দেয়। (সহীহ মুসলিম)
ইবনে মাজাহ শরীফের হাদীসের বর্ণনা নিম্নরূপ। জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা খাদ্য ও পানীয়ের পাত্র ঢেকে রেখো, মশকের মুখ বন্ধ করো, প্রদীপ নিভিয়ে দাও এবং (শয়নকালে) ঘরের দরজা বন্ধ করো। কারণ শয়তান (মুখবন্ধ) মশক খুলতে পারেনা এবং (ঢেকে রাখা) পাত্রও খুলতে পারেনা। তোমাদের কেউ যদি পাত্র ঢাকার কিছু না পায় তবে সে যেনো তার উপর অন্তত কোনো লাকড়ি বা কঞ্চির টুকরাই আড়াআড়িভাবে রেখে দেয় এবং আল্লাহকে স্মরণ করে। কেননা ইঁদুর মানুষের ঘর জ্বালিয়ে দিতে পারে। (ইবনে মাজাহ)
হযরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য রাতের বেলা তিনটি পাত্র রাখতাম এবং তিনটিই ঢেকে রাখতাম। একটি তার পবিত্রতা অর্জনের জন্য, একটি তার মিসওয়াকের জন্য এবং একটি তাঁর পান করার জন্য। (ইবনে মাজাহ)
এ তিনটি হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক চারটি নীতি বর্ণনা করেছেন। প্রথম নীতি হচ্ছে, খাদ্যদ্রব্যের বাসনপত্র ঢেকে না রাখা হলে মশা-মাছি, তেলাপোকা, টিকটিকি ইত্যাদি কীট-পতঙ্গ পড়ে খাদ্যদ্রব্যকে দুষিত করতে পারে। অন্যত্র এক হাদীসের বর্ণনায় এসেছে যে, পাত্রে মুখ ঢাকার জন্য কোনো কিছু পাওয়া না গেলে মুখে অন্তত কোনো কাঠি বা কঞ্চির টুকরাই রেখে দিও। কারণ খোলাপাত্রে যেকোনো পোকামাকড়, ক্ষতিকর জিনিস বা কীট পতিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে সে খাদ্য না পানীয় দুষিত হয়ে যাবে। আর দুষিত খাদ্যদ্রব্য খেলে অসুস্থ হবার সম্ভাবনা থাকে। সত্যিই কী গুরুত্বপূর্ণ Hygienic advice বা স্বাস্থ্যসম্মত উপদেশ, যা স্বাস্থ্যবিজ্ঞান পুরোপুরি সমর্থন করে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ উপদেশটিই স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে বলে আসছে। দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে, কলস বা পানীয় পাত্রের মুখ বন্ধ করে রাখা। এটিও এক স্বাস্থ্যসম্মত উপদেশ, যা মেনে চললে আমরা অসুস্থতার আক্রমণ থেকে বাঁচতে পারি। আমরা যদি পানির পাত্রের মুখ বন্ধ রাখার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করি তাহলে শয়তান বন্ধ পাত্রের মুখ খোলার এবং পানি দুষিত করার সুযোগ পাবেনা।
এখানেও পানি দুষিত করার জন্য ধুলাবালি কীটপতঙ্গের আশঙ্কার কথা অনুমান করা যায়। তাছাড়া বাসনপত্র ঢেকে রাখলে তা শয়তানের পক্ষে খোলা সম্ভব হবেনা। শয়তান তো আমারে অকল্যাণ করতে সর্বদা নিয়োজিত থাকে। আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত হাদীসে খালি পাত্র উপুড় করে রাখার নির্দেশ পাওয়া যায়। তিনি বলেছেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্র ঢেকে রাখতে, মশকের মুখ বন্ধ করতে এবং খালি পাত্র উপুড় করে রাখতে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। (ইবনে মাজাহ)
তৃতীয় নীতি হচ্ছে, ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখা। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে তোমরা ঘরের দরজা বন্ধ রেখে শয়তানের ঘরের ভেতর প্রবেশ করার সুযোগ নষ্ট করতে পারবে। নতুন শয়তান তোমাদের গাফিলতির সুযোগ নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তোমাদের অনেক অনিষ্ট করে ফেলতে পারে।
এ রিওয়ায়াতের মর্মার্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে রাতের বেলায় আমরা যদি ঘুমাতে যাবার আগে দরজা বন্ধ করে না রাখি, তাহলে চোর-ঢাকাত সহজেই ঘরে ঢুকে মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যেতে পারে এবং দুষ্ট লোকেরা অনেক অনিষ্ট করতে পারে। তাই নিরাপত্তার জন্য এ উপদেশ মেনে চলা আমাদের নিজেদের স্বার্থেই বেশি প্রয়োজন। আমার মনে হয় ঘরে security lock লাগানোর বিধান নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ উপদেশের উপর ভিত্তি করে নেয়া হয়েছে।
সর্বশেষ বা চতুর্থ নীতি হচ্ছে, ঘুমানোর পূর্বে বাতি নিভিয়ে দেয়া। এ বিষয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে তোমরা যদি বাতি জ্বালিয়ে রেখেই ঘুমিয়ে পড়ো তাহলে ঘুমন্ত অবস্থায় ইঁদুর বাতির আগুন থেকে ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে, যা খুবই বিপজ্জনক। তাছাড়া ঘরে বাতাস প্রবেশ করেও আগুন লাগতে পারে বা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই হাদীসে naked light তথা কুপির আলো বা উন্মুক্ত আলোর কথা বলা হয়েছে। কারণ ঐ সময়ে কোনো electric light ছিল না। আমাদের দেশে গ্রামের শতকরা ৯০ ভাগ বাড়িতে যুগ যুগ ধরে উন্মুক্ত বাতিই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে বিজ্ঞানের যুগে ইলেকট্রিক বাল্ব জ্বালিয়ে ঘুমানো উচিত নয়। তাতে একদিকে বিদ্যুতের অপচয় হয়, আর একদিকে শর্ট সার্কিটে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটারও সমূহ আশঙ্কা থেকে যায়।
