জেকের করার প্রমাণ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৭, মুহাররম-সফর ১৪৩৯ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
জেকের শব্দের আভিধানিক অর্থ হল অর্থাৎ-মনে মনে বা মুখে মুখে স্মরণ করা জেকের। এইরূপ ফারসী অভিধান ‘লুগাতে কোশোয়ারী’ ও আরবী অভিধান কিভাবে লিখিত আছে। এখন আমরা সহজে বুঝতে পারলাম মহান আল্লাহকে যদি কেউ মনে মনে স্মরণ করে তাহাকে জেকেরকারী বলা হইবে। আবার যদি কেহ মহান আল্লাহকে একাকী বা মজলিশে মৌখিকভাবে সশব্দে
স্মরণ করে তাহাকেও জেকেরকারী বলা হইবে।
ছহীহ বুখারী শরীফ ২য় খণ্ডে লিখিত আছে-
-হযরত আবু হুরায়রা (রা.) হইতে বর্ণিত আছে,
প্রচলিত কুসংস্কার সংশোধন-১৮
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৭, মুহাররম-সফর ১৪৩৯ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
শবে বরাতে হালুয়া-রুটি, ঈদের দিনে সেমাই ও আশুরার সময় খিচুড়ী-শরবতের ব্যবস্থা করাও বর্তমান কালে একটা প্রথায় পরিণত হয়েছে। হাদীসে শবেবরাত সম্পর্কে এতটুকু বর্ণিত হয়েছে যে, সে রাতে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার হুকুমে জান্নাতুল বাকীতে তশরীফ নিয়ে সেখানকার কবরবাসীদের রূহে মাগফেরাতের জন্য মোনাজাত করেছিলেন। এ হাদীসের উপর আমল করা ছাড়া অন্য সব রীতি-নীতি পালন কুসংস্কারের অন্তর্ভুক্ত। এসবের ক্ষতিকারক দিকগুলো নি¤েœ সংক্ষেপে বর্ণিত হলো
এক.
মহান স্রষ্টা বিষয়ক জাল হাদীস
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৭, মুহাররম-সফর ১৪৩৯ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. আল্লাহকে কোনো আকৃতিতে দেখা
চক্ষু আল্লাহকে দেখতে পারে না বলে কুরআনে বলা হয়েছে : ‘তিনি দৃষ্টির অধিগম্য নন, কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিহত’। (সূরা আন’আম : আয়াত ১০৩)
অন্যত্র আল্লাহ বলেন : “কোনো মানুষের জন্যই সম্ভব নয় যে,
বিচারকের রায়ে পরের হক হালাল হয় না ৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৭, মুহাররম-সফর ১৪৩৯ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
পরের জমি জবরদখল না করা
যেন-তেন-প্রকারে পরের জমি অথবা জায়গা দখল করে ফসল উৎপাদন করে হারাম খায় এক শ্রেণীর মানুষ। পদের ভারে অথবা জনশক্তির জোরে পরের জিনিসকে নিজের করে নিতে তাদের কোন অসুবিধা হয় না। যেন ‘লাঠি যার মাটি তার। জোর যার মুলুক তার।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
পর্দার বৈজ্ঞানিক উপকারিতা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৭, মুহাররম-সফর ১৪৩৯ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. পর্দা সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে
(১) মানুষের গায়ের রঙ কালো বা ধলো বা ফর্সা হওয়ার পেছনে যে উপাদানটি সক্রিয় তার নাম মেলানিন পিগমেন্ট। কারো শরীরে মেলানিন পিগমেন্ট যত বেশি থাকবে তার গায়ের রঙ হবে ততো কালো। আর মেলানিন পিগমেন্টের পরিমাণ যত কম হবে রঙ হবে ততো ফর্সা। শুনতে আশ্চর্য শোনালেও এটি বাস্তব সত্য যে,


