স্বচ্ছ লেনদেন ও ঝগড়া-বিবাদ করা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
আমাদের সমাজে পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদের যে উন্মুক্ত পাবন প্রবাহিত, আদালতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাসমূহ দ্বারা তার কিছুটা আঁচ করা যেতে পারে। তবে নিশ্চয়ই সে অনুমান হবে অপর্যাপ্ত এবং বাস্তব পরিমাণ থেকে অনেক কম। কেননা এমন অনেক বিবাদ রয়েছে যেগুলো আদালত পর্যন্ত গড়ায় না। কেননা আদালতের শরণাপন্ন হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় ও অর্থের নির্দয় ব্যবহার হয়,
প্রচলিত কুসংস্কার সংশোধন-৫
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
পায়জামা-লুঙ্গি ইত্যাদি টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, অত্যধিক লম্বা হাতওয়ালা জামা পরা, অথবা অন্যদিক লম্বা শিমলা রেখে পাগড়ী পরা নাজায়েয। বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হাদীসে আছে- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন,
মুসলমান অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. একজন মুসলমান অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া ও তার খোঁজখবর নেয়া অন্য মুসলমানদের উপর অপিরহার্য। এটি হল এক মুসলমানের উপর অন্য মুসলমানের অধিকার । আর আপনি রোগীর যত নিকটতম আত্মীয়, সঙ্গী ও পড়শী হবেন,
এক মুসলমানের মৃত্যুতে অন্য মুসলমানের করণীয়
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১. মৃত্যুপথযাত্রীকে কলেমার তালকীন : মৃত্যুগপথযাত্রী অসুস্থ মানুষকে কালিমা বা শাহাদাতাইনের তালকীন করতে হবে, অর্থাৎ তাকে কালিমা পাঠের জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
২. দুআ করা : মৃত্যুপথযাত্রী অসুস্থ ব্যক্তিকে বা মৃত ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার জন্য ও তার পরিজনদের জন্য ভাল দুআ করতে হবে। এ সময়ের দুআয় ফিরিশতাগন আমীন বলেন বলে সহীহ্ হাদীসে বলা হয়েছে। (মুসলিম,
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ইতিহাস এবং ফজিলত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ঈদ আরবী শব্দ। ঈদ অর্থ খুশি, আনন্দ, উৎসব, Festivel ইত্যাদি। আর ইসলামী পরিভাষায় ও শরিয়ত মতে ঈদ-উল-ফিতর Eid al- Fitra অর্থ: রোজা ভাঙ্গার উৎসব। Fest of Breaking the Fast. ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমানদের দুটো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে। (১) ঈদ-উল-ফিতর এবং (২) ঈদ-উল-আজহা। প্রতি আরবী দশম মাসের পহেলা শাওয়াল পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এবং দ্বাদশতম মাসের ১০ই জিলহজ্জ তারিখে পবিত্র ঈদ উল আজহা। শরীয়তের পরিভাষায় ঈদ দিবসকে বলা হয় পুরস্কার দিবস। এ প্রসঙ্গে আল্লাহপাক নিজেই ঘোষণা করেছেনঃ সিয়াম (রোজা) আমারই জন্য,


