শব্দ সংস্কৃতির ছোবল-৭
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
জলাঞ্জলি
জলাঞ্জলি শব্দটি ব্যবহার করা হয় অপচয়, অপব্যয় ও সম্পূর্ণ বরবাদ হওয়ার অর্থে। এ শব্দের দুটি রূপ আছে, একটি বাহিরের অন্যটি ভিতরের। বাহিরের রূপ বেশ সুন্দর, প্রয়োগও ভালো, কিন্তু ভিতরের রূপটা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এ শব্দের ভাবগত সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যাও আপত্তিকর। জলাঞ্জলি হচ্ছে হিন্দুদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। শব্দটি সংস্কৃত ভাষার বৈদিক সংস্কৃতির একটি শব্দ। এর সন্ধি বিচ্ছেদ করলে এই দাঁড়ায় : জল + অঞ্জলি = জলাঞ্জলি।
শবদাহের পর হিন্দুরা প্রেতাত্মার উদ্দেশ্যে আঁজলাপূর্ণ পানি চিতায় ছিটিয়ে দেয়। এই ধর্মীয় কর্মের নাম জলাঞ্জলি,
হিজরী নববর্ষ ও আশূরা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৪র্থ সংখ্যা,অক্টোবর ২০১৬, জিলহজ-মুহাররম ১৪৩৭-৩৮ হিজরী,আশ্বিন-কার্তিক ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
মুহাররম মাস ইসলামী পঞ্জিকার প্রথম মাস। রাসূলুল্লাহ -এর সময়ে ও তার পূর্বে রোমান, পারসিয়ান ও অন্যান্য জাতির মধ্যে তাদের নিজস্ব ক্যালেন্ডার বা পঞ্জিকা প্রচলিত ছিল। আরবদের মধ্যে কোনো নির্ধারিত বর্ষ গণনা পদ্ধতি ছিল না। বিভিন্ন ঘটনার উপর নির্ভর করে তারিখ বলা হতো। যেমন,
শব্দ সংস্কৃতির ছোবল-৬
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৩য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর ২০১৬, জিলকদ-জিলহজ ১৪৩৭ হিজরী, ভাদ্র-আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
কীর্তন
গুণ বর্ণনা ও যশঃ প্রচার অর্থে কীর্তন শব্দ ব্যবহার করে থাকেন অনেক মুসলিম লেখক। কিন্তু তারা জানেন কিনা যে, কীর্তন শব্দটির উদ্ভবের প্রেক্ষাপট ধর্মীয়। রাধাকৃষ্ণে লীলা বিষয়ক গানই হলো কীর্তন। রাধা কৃষ্ণের লীলা বিষয়ক কীর্তন যারা করে,
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিষেধ করেছেন-৫
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৩য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর ২০১৬, জিলকদ-জিলহজ ১৪৩৭ হিজরী, ভাদ্র-আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় অথবা হারানো বস্তুর ঘোষণা দেয়া নিষেধ
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন :
তোমরা কাউকে মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখলে বলবেঃ আল্লাহ্ তাআলা তার ব্যবসায় লাভ না দিক!
মারিফাত শিক্ষার নামে পর্দাহীনতা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৩য় সংখ্যা, সেপ্টেম্বর ২০১৬, জিলকদ-জিলহজ ১৪৩৭ হিজরী, ভাদ্র-আশ্বিন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
ইসলামী শরীয়তের শিক্ষার পাশাপাশি মারিফাত শিক্ষারও যথে গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু তা শরীয়াতের বিধানকে উপেক্ষা করে না বরং শরীয়তের আমলের মাধ্যমে মারিফাতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়। যার মানদণ্ড হচ্ছে কুরআনুল কামীম এবং সুন্নাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!


