দাওয়াতী কার্যক্রম
মোজাদ্দেদে জামান (রহঃ) থেকে বর্তমান গদ্দিনিশীন পীর আল্লামা শায়েখ আবুবকর আব্দুল হাই মিশকাত সিদ্দিকী হাফিযাহুল্লাহ পর্যন্ত ফুরফুরার শত শত বছরের সংস্কারমূলক যে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং যা এখনও পরিচালিত হচ্ছে তা ধারাবাহিকভাবে বিস্তারিত পড়ুন।
১) আব্দুল হাই সিদ্দিকী রহঃ এর সকল কর্মসূচি (১৯৩৯ইং থেকে ১৯৭৭ইং পর্যন্ত)
২)আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী রহঃ এর সকল কর্মসূচি (১৯৭৭ইং থেকে ২০০৬ইং পর্যন্ত)
৩)আব্দুল হাই মিশকাত সিদ্দিকীর সকল কর্মসূচি ( ২০০৬ইং থেকে ২০১৭ইং এখনও পর্যন্ত চলছে) ধারাবাহিক ভাবে পড়ুন
১) শাইখুল ইসলাম আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহঃ) এর সমকালীন ফিতনাসমূহের প্রতিরোধে সংস্কারমূলক দাওয়াতি কার্যক্রমঃ ১৯৩৯ ইং থেকে ১৯৭৭ ইংপর্যন্ত
পাঠকের সুবিধার্থে এখানে সূচি দেওয়া হল, নীচে বিস্তারিত……
১।শিরক, বিদআত, কুফরী ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম
২।ওরশ প্রথার সংস্কার ও ঈসালে ছওয়াব প্রতিষ্ঠা
৩।ভণ্ড পীর ফকীরদের বিরুদ্ধে আন্দোলন
৪।কাদিয়ানী মতবাদের প্রতিরোধ
৫।কমিউনিজম ও নাস্তিকতার বিরুদ্ধে
৬।মহররম উপলক্ষে অনুষ্ঠিত শরীয়ত বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ
৭।মুতাজিলা মতবাদের প্রতিরোধ
৮।পুনর্জন্মবাদীদের বিরুদ্ধে
৯।কুরআন মুহাম্মদ (দঃ) এর বাণী এ মতবাদের অসারতা প্রমাণ
১০।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপনে
১১।শান্তি কমিটি প্রতিষ্ঠা
১২। ইসলাম মিশন
১৩। ইসলাম মিশন বায়তুল মাল
১৪। ইসলাম মিশন (কুরআনী সুন্নী)
ইসলাম মিশনের নিয়মাবলি
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ইসলাম মিশন
সৈয়দ আহমদ চৌধুরী
মিশন সম্পর্কে আব্দুল হাই সিদ্দিকীর রহঃ এর মূল্যবান ভাষণ
বিশ্ব ইসলাম মিশন কুরআনী সুন্নী মানব কল্যাণ বিভাগ
মিশনের রেজিষ্ট্রীকৃত গঠনতন্ত্র
মিশনের গঠনতন্ত্রের ইংরেজি অনুবাদ
১৯৬৯ সনের বার্ষিক কনফারেন্সের উদ্বোধনী ভাষণ
হযরত পীর ছাহেব কেবলাহর আহ্বান
বিশ্ব ইসলাম মিশন কুরআনী সুন্নী জমিয়তুল মুসলিমীন হিজবুল্লাহ
মিশনের প্রধান প্রধান শাখা বা ব্রাঞ্চ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিশনের দাওয়াত
কাতারে মিশনের কার্যক্রম
লন্ডনের আন্তর্জাতিক ইসলামী কনফারেন্সে মিশনের প্রতিনিধি
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে কেন্দ্রীয় মসজিদ ও ইসলামী কেন্দ্রের উদ্বোধনী উৎসবে যোগদান
মিশনের মাধ্যমে গৃহীত বিভিন্নমুখী কর্মসূচী
বর্তমানে হিজবুল্লাহর কার্যক্রম
মানবতাবাদী হযরত আব্দুল হাই সিদ্দীকী (রহঃ)
বাংলাদেশের অসহায় দুর্গতদের জন্যে বিশ্ববাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন
পশ্চিমবঙ্গ মুসলিম বন্যা সাহায্য সমিতি
- জমিয়তে ওলামায়ে বাংলা ও আসাম
- জমিয়তে ওলামার বহুমুখী কার্যক্রম
- জমিয়তে ওলামার বিশেষ অধিবেশনের কয়েকটি প্রস্তাব
- একাদশ বার্ষিক অধিবেশনের একটি প্রস্তাব
- ফুরফুরায় জমিয়তে ওলামার জরুরী অধিবেশন
- আর্তমানবতার সেবায় জমিয়তে ওলামা
- জমিয়তে ওলামায়ে হানাফিয়া
- জমিয়তে ওলামায়ে হানাফিয়ার বার্ষিক অধিবেশনে
- পীর সাহেব কেবলাহর ঐতিহাসিক ভাষণ
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ওলামা সম্মেলন
- আঞ্জুমানে ওয়ায়েজীন
বর্তমানে এই পেজে আপলোডের কাজ শুরু করা হয়েছে ০৭/১১/২০১৬
একটু পেছনের দিকে তাকানো যাক। সবে মাত্র বৃটিশ শাসনের অবসান হয়েছে। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের বুকে উড়ছে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা। ভারত-পাকিস্তান দুটি নবীন রাষ্ট্র নিজেদের ঘরকে মজবুত করার কাজে ব্যস্ত। ঠিক তখনকার কথা। ফুরফুরার বড় হুজুর হযরত মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ:) নতুন ভাবে বাংলা-ভারতে দীনের প্রচার ও প্রসারের কাজে তৎপর। কিভাবে কাজ চালালে হকের প্রচার ও প্রসার অতি সহজ হবে সে দিকেই তার খেয়াল। তিনি চিন্তা করতে লাগলেন এতদিন দেশ একটা ছিল, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের অবাধ বিচরণ ছিল। এখন দেশ দু-ভাগে ভাগ হওয়াতে দুদেশের মানুষ দুটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। পূর্ব পাকিস্তানের (তৎকালীন) মানুষ ফুরফুরা থেকে বঞ্চিত। তারা আর আগের মত ফুরফুরা যেতে পারছে না। এতসব চিন্তার মাঝে তিনি যার পর নাই ব্যথিত হলেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন-এ অঞ্চলে এমন একটি ইসলামী কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করবেন, যেখানে এলে মানুষ হেদায়েতের নূর পাবে। তাঁর সেই স্বপ্ন থেকেই শুরু হল কাজ।
জমি ক্রয়
১৯৬০ সনে ঢাকার গাবতলী সংলগ্ন বাগবাড়ী বাজারে হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ:) এক মাহফিলে তাশরীফ আনেন। উক্ত মাহফিল ইন্তেজাম করেন মরহুম হাজি আব্দুল আজিজ সাহেব। তখন ছিল বর্ষাকাল। নৌকাযোগে যাওয়ার সময় বড় সয়েক (বর্তমান দারুস্সালাম)-এর কাছে নৌকাটা থামাতে বলেন হুজুর। কিছুক্ষণ মোরাকাবার হালতে ধ্যানমগ্ন থাকেন। এরপর হাজি আব্দুল আজিজ সাহেবকে বলেন হাজি সাহেব, এই জায়গাটা আমাকে কিনে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
সফর শেষ করে হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ:) ভারতে চলে গেলেন। হাজি আব্দুল আজিজ সাহেব তাঁর ভগ্নিপতি দলিল লেখক আব্দুল আউয়াল সাহেব ও মেয়ের জামাই মির্জা মফিজ উদ্দিন সাহেব (৫৩ নয়া পল্টন নিবাসী) কে নিয়ে উক্ত জমির মালিকদের সাথে যোগাযোগ করলেন। দারুস্সালামের বড়, মেজ ও ছোট মাতবর ছাড়াও আরও অনেকের জমি ছিল সেখানে। ৩০০ হতে ৫০০ টাকা পাকি দরে মোট সাড়ে একুশ ২১ পাকি জমি কেনা হল। পুরোটাই তখন ধান, শাকসব্জি আর আখের ক্ষেত। বর্ষাকালে ২৭ ফুট পানিতে ডুবে যেত। রেজিষ্ট্রি ও যাবতীয় সব খরচসহ দাম পড়লো সাড়ে সতের হাজার ১৭,৫০০ টাকা। পুরো জমিই হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ:)-এর নামে রেজিষ্ট্রি করা হয়।
১৯৬২ সনে হযরত আব্দুল হাই সিদ্দিকী (রহ:) ঢাকায় তাশরীফ আনলেন।জমি খরিদ করা হয়েছে শুনে খুব খুশি হলেন। হাজি আব্দুল আজিজ সাহেব জমির মূল্য নিতে না চাইলে হুজুর (রহ:) এক রকম জোর করেই তাকে জমির মূল্য প্রদান করলেন। ঐ বারই অর্থাৎ ১৯৬২ সনে হুজুর (রহ:) দারুস্সালামে ক্রয়কৃত নতুন জমিতে ঈদুল আজহার নামাজ পড়লেন, লাল ও কালো রং-এর দুটো বড় গরু কোরবাণী দিলেন এবং ইসালে সওয়াব মাহফিলের ইন্তেজাম করলেন।
মারকাযে ইশাআতে ইসলাম কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা
মারকাযে ইশাআতে ইসলাম কমপ্লেক্স নামক এ প্রতিষ্ঠানটি পরিণত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দ্বীন বা প্রচার কেন্দ্র। মহান আল্লাহ্পাকের একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য এ কেন্দ্র সর্ববিধ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মারকাযে ইশাআতে ইসলামের অধিনে রয়েছে অনেকগুলো দীনি প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম:
- মসজিদ
- খানকাহ
- দরসে নেজামী মাদ্রাসা
- হিফজখানা
- মক্তব
- মহিলা মাদ্রাসা
- কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসা
- এতিমখানা
- লিল্লাহ বোর্ডিং
- মেহমানখানা
- মুসাফিরখানা
- ঈদগাহ
- কুতুবখানা
- রিসার্চ সেন্টার
- পাঠাগার
- ওয়াজ মাহফিল
- ইসালে সওয়াব
- সাপ্তাহিক তালীমী মাহফিল
- মাসিক তালীমী মাহফিল
- প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- সিদ্দিকীয়া মিডিয়া সেন্টার
- মাসিক পত্রিকা ইত্যাদি।
এই পেজটির তথ্য update এর কাজ এখনও চলছে, যথা সময়ে সম্পন্ন করতে না পারায় আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। অনুগ্রহ পূর্বক কয়েকদিন অপেক্ষা করুন।
