মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
আখেরী যামানার উম্মাতের জন্য চিন্তা ৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
২০. শহীদের রক্তের চেয়ে জ্ঞানীর কালি উত্তম
ইলমের ফযীলতে বানানো একটি জাল হাদীস:
“শহীদের রক্তের চেয়ে জ্ঞানীর কালি উত্তম।” সাখাবী, যারকানী, মোল্লা আলী কারী প্রমুখ মুহাদ্দিস জানিয়েছেন যে, কথাটি খুব সুন্দর শোনালেও তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা নয়। যারকাশী বলেছেন : বাক্যটি আসলে তাবিয়ী হাসান বসরীর (রাহ) উক্তি। (সাখাবী,
ঈমানদারগণকে হালাল বস্তু খাওয়ার ও নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের নির্দেশ ৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
রোগীর গায়ে অন্যের রক্ত দেওয়ার মাসআলা
এই মাসআলার বিশ্লেষণ নিম্নরূপ : রক্ত মানুষের শরীরের অংশ। শরীর থেকে বের করে নেওয়ার পর তা নাপাক। তদনুসারে প্রকৃত প্রস্তাবে একজনের রক্ত অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করানো দু-কারণে হারাম হওয়া উচিত। প্রথমত,
আবু কাতাদাহ আল- আনসারী (রা)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
হযরত আবু কাতাদাহ মদিনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনী সুলামা শাখার সন্তান। তাঁর আসল নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন আল হারিস আবার কেউ বলেছেন আমর। আল-কালবী ও ইবন ইসহাকের মতে আন-নুমান। তবে আল-হারিস অধিকতর প্রসিদ্ধ। ইতিহাসে তিনি আবু কাতাদাহ এ ডাক নামেই খ্যাত। পিতা রাবৎয়ী ইবন বালদামা এবং মাতা কাবশা বিনতু মুতহরিরঃ। তিনিও খাযরাজ গোত্রের বনী সুলামার সাওয়াদ ইবনে গানাম শাখার মেয়ে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় হিযরাতের ১৮ বছর পূর্বে ৬০৪ খ্রীষ্টাব্দে মদীনায় জন্ম গ্রহণ করেন। (উসদুল গাবা- ৫/২৭৪ আল ইসাবা-৪/১৫৮;
নবীজী যা নিষেধ করেছেন-৩
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
নামাযের মধ্যে পাথর কিংবা অন্য কোন কিছু স্পর্শ করা নিষেধ
মুআইক্বীব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : তুমি নামায পড়াবস্থায় মুছা জাতীয় কোন কাজ করতে যাবে না। একান্ত যদি তা করতেই হয় তা হলে তা একবারই করবে শুধু পাথরগুলো সমান করার জন্য। (আবু দাউদ,
শব্দ সংস্কৃতির ছোবল-৫
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৬, রমাদান-শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
উপাস্য
ব্যাকরণ বিধি অনুযায়ী উপাসনা বিশেষ্য, বিশেষণ হচ্ছে উপাস্য। উপাস্য অর্থ হচ্ছে যার উপাসনা করা যায়। যিনি উপাসনা পাওয়ার যোগ্য। আরাধনা, পূজা, অর্চনা, ভগবৎচিন্তা ইত্যাদি হচ্ছে উপাসনা, যার উদ্দেশ্যে তা করা হয়,


