প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ- ৫ম সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৬, মুহাররম-সফর ১৪৩৭-৩৮ হিজরী, কার্তিক-অগ্রহায়ন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. মহিলার উচিত, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য মহিলা ডাক্তার পাওয়া গেলে পুরুষ ডাক্তারের কাছে না গিয়ে মহিলা ডাক্তারের কাছেই গমন করা। যদি মহিলা ডাক্তার পাওয়া না যায়, তাহলে পুরুষ ডাক্তারের চিকিৎসা গ্রহণ করতে কোন অসুবিধা নেই। তার সামনে চিকিৎসার প্রয়োজন মত নিজের চেহারা এবং অন্যান্য দেহাঙ্গ, প্রকাশ করতে কোন দোষ নেই। তদুপরি চিকিৎসকের জন্যও প্রয়োজনানুযায়ী মহিলাদের শরীরের যে কোন অঙ্গ দেখা ও স্পর্শ করা জায়িয। তবে তিনি সাধ্যমত নিজের দৃষ্টি ও আচরণকে সংযত রাখতে চেষ্টা করবেন। (সারাখসী, আল-মাবসূত, খ. ১০, পৃ.১৫৬; কাসানী, বাদাই খ.৫, পৃ.১২২)
মহিলারা পুরুষ ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময় স্বামী কিংবা কোন মাহরাম পুরুষকেও সাথে নিয়ে যাবে, যাতে ডাক্তারের সাথে তাদের একান্তে সাক্ষাত করতে না হয়। কোন কারণে তাদের পাওয়া না গেলে বা তাদের নিয়ে যাওয়া সম্ভব না হলে, একজন বিশ্বস্তা মহিলাকে সাথে নিয়ে যাবে।
২. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, لَايَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاِمْرَاَةٍ – কোন পুরুষ যেন কোন মহিলার সাথে একাকীত্বে অবস্থান না করে। (সহীহ আল বুখারী, (কিতাবুল জিহাদ), হাদীস নং-২৮৪৪, সহীহ মুসলিম (কিতাবুল হজ্জ), হাদীস নং-৩২৫৯)
তাই চেম্বারে কিংবা অপারেশন রূমে ডাক্তারের সাথে একাকী অবস্থায় মহিলার সাক্ষাত করা বৈধ নয়।
৩. হযরত জাবের (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে,
اَنَّ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا اسْتَأْذَنَتْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ الْحَجَامَةِ، فَاَمَرَ اَبَا طَيْبَةَ اَنْ يَحْجِمَهَا ، قَالَ حَسِبْتُ اَنَّه كَان أَخَاهَا مِنَ الرَّضَاعَةِ أَوْ غُلَامًا لَمْ يَحْتَلِمْ ـ
উম্মে সালামা (রা.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে রক্ত মোক্ষণ করানোর অনুমতি চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু তাইবাকে নির্দেশ দিলেন যে, তাকে রক্ত মোক্ষণ দাও।
ঘটনাটি বর্ণনা করার পর হযরত জাবের (রা.) বলেন যে, আবু তাইবা যে রক্ত মোক্ষণ করলেন আমার ধারণায় এর কারণ এই ছিল যে, তিনি হযরত উম্মে সালামার দুধভাই ছিলেন অথবা নাবালেগ ছিলেন। (মুসলিম)
৪. আলোচ্য হাদীসটি দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, মহিলাদের চিকিৎসার ব্যাপারেও পর্দার প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। কেননা, যদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে পর্দার প্রয়োজন না হত তবে উম্মুল মু’মিনীনকে রক্ত মোক্ষণ করানোর ঘটনাটি বর্ণনার প্রসঙ্গে হযরত জাবির (রা.)-এর এ কথা বলার কোনই প্রয়োজন ছিল না যে, হযরত আবু তাইবা (রা.) তাঁর দুধ ভাই অথবা নাবালেগ ছেলে ছিলেন। পরিতাপের বিষয় যে, সাম্প্রতিককালে যে সব বংশে বা পরিবারে পর্দার প্রচলন রয়েছে তাঁদের মধ্যেও চিকিৎসার ক্ষেত্রে পর্দার ব্যাপারে যত্ন নেয়ার প্রয়োজন মনে করা হয় না। উপরোক্ত হাদীসটি থেকে পরিস্কার বোঝা যায় যে, মহিলাদের চিকিৎসার জন্য প্রথমত: কোন মাহরাম ব্যক্তি তালাশ করা উচিত। যদি নিতান্তই কোন মাহরাম ব্যক্তি না পাওয়া যায় তাহলে গায়রে মাহরাম দ্বারা চিকিৎসা করানো যেতে পারে। কিন্তু তার জন্য শরীয়তের একটি মূলনীতির প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে; তা হল الضرورة تقدر بقدر الضرورة
অর্থাৎ অপরিহার্য প্রয়োজনে কোন নিষিদ্ধ বিষয় প্রয়োজন পরিমাণই শুধু শিথিল করা যেতে পারে।
৫. কাজেই নিতান্ত অপারগতায় চিকিৎসককে যদি শরীরের কোন অংশ দেখাতে হয় তবে ঠিক যতটুকু দেখানো প্রয়োজন ততটুকুই দেখাতে পারবে, এর বেশি নয়। যেমন, চিকিৎসার জন্য যদি শিরা দেখা বা অবস্থা বলার দ্বারাই কাজ সম্পন্ন হয়ে যায় তবে এর বেশী দেখানোর বা স্পর্শ করার অনুমতি নেই।
৬. যদি বাজু বা পায়ে যখম থাকে তবে যতটুকু দেখানো নিতান্ত প্রয়োজন ততটুকুই চিকিৎসককে দেখাতে পারে। যদি চোখ, নাক, দাঁত ইত্যাদি দেখাতে হয় তবে এ ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ চেহারা খোলা জায়েজ নেই।
৭. অনুরূপ ভাবে রোগীর কোন পিঠ, রান ইত্যাদি এমন কোন অঙ্গের কোন অংশ ডাক্তারকে দেখাতে হলে তখনও শুধু যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই দেখাতে পারবে, এর বেশী নয়।
৮. শরীরের কোন অঙ্গে যদি জখম হয় বা ফোড়া হয় তখন শুধু ঐটুকু দেখানোর পদ্ধতি হল, কোন পুরাতন কাপড় পরে জখমের বা ফোড়ার জায়গাটুকু কেটে বা ছিড়ে দিবে যাতে অবশিষ্ট অংশে দৃষ্টি না পড়ে।
৯. মহিলাদের নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত অন্য মহিলার সামনেও খোলা জায়েয নেই। কাজেই এই জায়গার কোন অংশ কোন মহিলা ডাক্তারকে দেখাতে হলে তখনও একই হুকুম হবে। অর্থাৎ, তখনও প্রয়োজনীয় অংশটুকু উপরোক্ত নিয়মে দেখাবে।
১০. এখানে আরও উল্লেখযোগ্য যে, প্রয়োজন সাপেক্ষে ডাক্তারকে যে অংশ দেখানো হচ্ছে সে অংশ অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের দেখার অনুমতি নেই। হ্যাঁ, যদি অঙ্গটি এমন হয় যার দিকে তাকানো জায়েয আছে তবে ভিন্ন কথা। যেমন, পায়ের গোছাতে যদি কোন জখম হয় এবং সে অংশ ডাক্তারকে দেখাতে হয় আর সে স্থলে মেয়েটির পিতা বা ভাই উপস্থিত থাকে তবে তাদের জন্য দেখা নিষেধ নয়। কেননা, হাটু পর্যন্ত পায়ের গোছা মাহরামের সামনে খোলা না জায়েয নয়।
১১. উপরোল্লিখিত বর্ণনা ও নির্দেশ পুরুষের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অর্থাৎ, কোন পুরুষের নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত কোনো অঙ্গে জখম হওয়ার কারণে অথবা ইনজেকশন দেয়ার জন্য যতটুকু প্রয়োজন শুধু ততটুকুই দেখতে বা দেখাতে পারবে। কিন্তু উপস্থিত অন্যান্যদের জন্য দেখা হারাম।
১২. পুরুষদের উচিত, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য পুরুষ ডাক্তার পাওয়া গেলে মহিলা ডাক্তারের কাছে না গিয়ে পুরুষ ডাক্তারের কাছেই যাওয়া। যদি পুরুষ ডাক্তার পাওয়া না যায়, তাহলে মহিলা ডাক্তারের চিকিৎসা গ্রহন করতে কোন অসুবিধা নেই। আর মহিলা ডাক্তারদের জন্যও যদি পুরুষ ডাক্তার না থাকে বা পাওয়া না যায়, তাহলে পুরুষদের চিকিৎসা করতে কোন দোষ নেই। (সারাখসী, আল-মাবসূত,খ.১০,পৃ.১৫৬;কাসানী,বাদাই,খ.৫,পৃ.১২২)
তবে শর্ত হচ্ছে, পুরুষদের চিকিৎসা করার সময় মহিলা ডাক্তারের সাথে তার স্বামী কিংবা কোন মাহরাম পুরুষ অথবা অন্তত পক্ষে কোন বিশ্বস্তা মহিলা থাকতে হবে, যাতে কোন অবস্থায় রোগীর সাথে তার একান্তে অবস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি না হয়। এ ধরনের অবস্থায় চিকিৎসার প্রয়োজনে মহিলা ডাক্তারের জন্য পুুরুষের শরীরের যে কোন অঙ্গ দেখা ও স্পর্শ করা জায়িয।
১৩. তদ্রুপ হাসপাতালে পুরুষ রোগীদের সেবা-শুশ্রুশা করার জন্য যদি পুরুষ সেবক পাওয়া না যায়, তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজনে মহিলা সেবিকার জন্য পুরুষদের প্রয়োজনীয় সেবা-শুশ্রুশা করতে দোষ নেই, তবে শর্ত হচ্ছে, প্রয়োজনীয় সেবা দেয়ার সময় তার সাথে অন্তত অন্য বিশ্বস্তা সেবিকাও থাকতে হবে, যাতে কোন অবস্থায় রোগীর সাথে তার একান্তে অবস্থানের মত সুযোগ সৃষ্টি না হয়। এ ধরনের অবস্থায় চিকিৎসা ও সেবার প্রয়োজনে মহিলা সেবিকার জন্য পুরুষের শরীরের যে কোন অঙ্গ দেখা জায়িয।
১৪. হযরত রুবাই বিনত মুসআওইয (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে বিভিন্ন অভিযানে গমন করতাম। সেখানে আমরা লোকদের পানি পান করাতাম, আহতদের সেবা-শুশ্রুশা করতাম এবং শহীদদেরকে মদীনায় নিয়ে আসতাম।(সহীহ আল বুখারী, (কিতাবুল জিহাদ), ২৭২৬, ২৭২৭, (কিতাবুত তিব), হাদীস নং-৫৩৫৫)
১৫. ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, এ হাদীস থেকে জানা যায় যে, প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে মহিলার জন্য বেগানা পুরুষের চিকিৎসা করা জায়িয হবে। (ইবনে হাজার, ফাতহুল বারী, খন্ড-৬, পৃ.৮০)
১৬. হযরত আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন অভিযানে বের হতেন তখন তিনি উম্মু সুলাইম (রা.) ও কিছু আনসারী মহিলাকে সাথে নিয়ে যেতেন। তাঁরা পানি পরিবেশন করতেন এবং আহতদের চিকিৎসা করতেন। (মুসলিম (কিতাবুল জিহাদ), হাদীস নং-৪৬৫৯)
১৭. এ হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী (রহ.) বলেন: এ হাদীস থেকে জানা যায় যে, যুদ্ধক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে মেয়েদের বের হওয়া এবং পানি পরিবেশন ও চিকিৎসা প্রভৃতি কাজে তাদেরকে খাটানো জায়িয। তারা মাহরাম ও স্বামীদের চিকিৎসা ও সেবা-শুশ্রুশা করবে। অন্যদেরও সাধারণভাবে স্পর্শ করা ছাড়া চিকিৎসা করতে পারবে; তদুপরি জরুরতের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় স্থান স্পর্শ করতেও কোন অসুবিধা নেই। নববী,শারহু সহীমুসলিম,খ.১২,পৃ.১৮৮
১৮. সন্তান প্রসবকালে যদি ধাত্রী দ্বারা গর্ভবতীর পেট মালিশ করাতে হয় তবে নাভি থেকে নীচের অংশ খোলা জায়েজ নেই। চাদর ইত্যাদি দ্বারা ঢেকে নিবে। বিনা প্রয়োজনে ধাত্রীকেও দেখানো জায়েজ নেই। অনেক সময় পেট মালিশ করতে গিয়ে ধাত্রী, এমনকি ঘরের অন্যান্য সব মহিলা দেখতে থাকে, এটা জায়েজ নয়।
১৯. কোন বালেগা ছেলের যদি খৎনা করাতে হয় তবে যে ব্যক্তি খৎনা করাবে তার জন্য শুধু প্রয়োজনীয় অংশটুকু দেখা জায়েজ। অন্যান্যদের জন্য দেখার অনুমতি নেই।
২০. সন্তান প্রসবকালে ধাত্রী অথবা নার্সের জন্য প্রয়োজন মত প্রসবের জায়গাটুকু শুধু দেখা জায়েজ, এর অতিরিক্ত দেখা জায়েজ নেই। এ ছাড়া অন্যান্য মহিলাদের জন্য, এমনকি মা, বোন বা কন্যার জন্যও দেখা নিষেধ। কেননা, তাদের দেখার কোনোই প্রয়োজন নেই। অনেকে এ সময় মহিলাটিকে সম্পূর্ণ নগ্নাবস্থায় ফেলে রাখে এবং এ অবস্থায় উপস্থিত সব মহিলারা তাকে দেখতে থাকে। এটা সম্পূর্ণভাবে হারাম।
২১. যদি সন্তান প্রসবকালে কোন অমুসলিম ধাত্রী অথবা নার্সকে ডাকা হয় তখন তার সামনে মাথা খোলা হারাম। কেননা, অমুসলিম নারীদের সামনে মুসলিম নারীদের জন্য শুধু মুখ, কব্জি পর্যন্ত উভয় হাত এবং টাখনুর নীচে উভয় পা খোলার অনুমতি রয়েছে। এর অতিরিক্ত একটি চুলও খোলা জায়েজ নয়। অমুসলিম নারী বলতে মেথরানী, ধুপী, মালিনী, নার্স, মহিলা ডাক্তার যেই হোক না কেন, সবার ক্ষেত্রে একই নির্দেশ।
২২. অনেক সময় দেখা যায় যে, রোগীর সাতর ঢাকার ব্যাপারে যত্ন নেয়া হয় না। হাটু বা রান থেকে কাপড় সরে যায়, তাতে কোন ভ্রুক্ষেপ করা হয় না। উপস্থিত সেবা-শুশ্রুশাকারীরা বিনা দ্বিধায় সেদিকে তাকাতে থাকে আর এটাকেই রুগীর প্রতি সহানূভূতি মনে করে থাকে। শরীয়াতের দৃষ্টিতে এটা সম্পূর্ণ হারাম।
২৩. তথাকথিত আধুনিক লোকদের মধ্যে বর্তমানে প্রচলিত রয়েছে যে, তারা ধাত্রী মহিলার স্থলে পুরুষ ডাক্তার দিয়ে সন্তান প্রসব করিয়ে থাকেন। অথচ, যে স্থলে স্বলিংগের পক্ষেই বিনা প্রয়োজনে পরস্পরের সাতরের দিকে তাকানো জায়েজ নেই, সে স্থলে বিপরীত লিংগের সাথে সম্পর্কের দূরত্ব যত বেশী হবে নিষিদ্ধতার মাত্রাও ততই বৃদ্ধি পাবে। মুসলমান মহিলার জন্য নিকটতম হল মুসলমান মহিলা। কাজেই, প্রথমত প্রয়োজন হলে মুসলমান মহিলাই খুঁজবে। অতঃপর তার ব্যবস্থা না হলে অমুসলিম মহিলার শরণাপন্ন হতে পারে। যার হুকুম হল পরপুুরুষের মত। তারপর যদি একান্তই পুরুষ ডাক্তারের প্রয়োজন পড়ে তবে মুসলমান ডাক্তার খুঁজবে। যদি তাও না পাওয়া যায় তখন কাফের ডাক্তারের শরণাপন্ন হবে। প্রথমেই কাফের ডাক্তারের কাছে পৌঁছে যাবে না। এটা অত্যন্ত লজ্জাকর ও গুনাহের ব্যাপার। আর এটা প্রয়োজনের আওতায় আসবে না। কেননা, ডাক্তার দেখানোর এহেন প্রথা যখন ছিল না, সে যুগেও অনায়াসেই বাচ্চা জন্ম নিত। এখনও যে সব পরিবারে ধর্মীয় অনুভূতি ও আত্মমর্যাদাবোধ রয়েছে ধাত্রী দ্বারাই তাদের সন্তানাদি জন্ম নিচ্ছে। ধাত্রীরাই পর্দার সাথে সকল কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে। (বেহেশতী জেওর, ৯ম খন্ড, উপসংহার)
