প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০১৬,রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৭ হিজরী,মাঘ-ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
২৬। রাত্রেও তাহার সমীপে সিজদায় অবনত হও, আর রাত্রির দীর্ঘ সময়ে তাঁহার তসবীহ করিতে থাক১।
২৭। এই লোকেরা তো দ্রুত অর্জিতব্য জিনিস, (বৈষয়িক স্বার্থ) ভালোবাসে। আর পরে যে ভয়াবহ দিন আসিতেছে উহাকে উপেক্ষা করিয়া চলিয়াছে।
২৮। আমরাই তাহাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছি এবং তাহাদের জোড়াসমূহ মজবুত করিয়া দিয়াছি। আমরা যখনইসচাহিব, তাহাদের আকৃতি পরিবর্তন করিয়া ফেলিব।
২৯। ইহা একটি নসীহত বিশেষ। এক্ষণে যাহার ইচ্ছা নিজের খোদার নিকট যাওয়ার পন্থা অবলম্বন করিতে পারে।
১ যখন সময় নির্ধারণসহ আল্লাহর যিকরের কথা বলা হয়, তখন তার অর্থ নামায। আলোচ্য আয়াতে সর্বপ্রথম বলা হয়েছে :
তোমরা খোদার নাম সকাল সন্ধ্যায় স্মরণ কর। আরবী ভাষায় বোরকা উষাকলাকে বলা হয়। আর আসিলা শব্দটি মধ্যাহ্ন সূর্যের পশ্চিম দিকে ঢলে পড়া থেকে সূর্যাস্ত কাল পর্যন্ত সময় বুঝায়। যোহর ও আসরের সময় এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এরপর বলা হয়েছে: রাত্রেও তাঁহার সমীপে সিজদায় অবনহ হও। রাত্রিকাল সূর্যাস্তের পর শুরু হয়। সুতরাং রাত্রিকাল সিজদা করার নির্দেশের মধ্যে মাগরিব ও ইশা এই দুই ওয়াক্তের নামায অন্তর্ভুক্ত হবে। এরপর বলা হয়েছে, রাত্রির দীর্ঘ সময়ে তাঁহার দীর্ঘ সময়ে তাঁহার তসবীহ করিতে থাক – এর দ্বারা তাহাজ্জুদ নামাযের দিকে সুস্পষ্ট ইংগিত করা হয়েছে।
৩০। আর আসলে তোমাদের চাওয়ায় কিছুই হয় না যতক্ষণ না আল্লাহ চাহিবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহই সর্বজ্ঞ ও সুবিজ্ঞানী।
৩১। স্বীয় রহমতের মধ্যে যাহাকে চাহেন গ্রহণ করেন। আর যালেমদের জন্য তিনি বড় পীড়াদায়ক আযাব নির্ধারণ করিয়া রাখিয়াছেন।
