আপনিও হতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে সুখী নারী-৯ ৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০১৬,রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৭ হিজরী,মাঘ-ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
নিশ্চয় আল্লাহর রহমত নেক লোকদের অতি নিকটে রয়েছে।
১
আপনি আপনার স্রষ্টার ওপর আস্থা রাখুন
কোনো নারী ঘুমাতে যায়। তাঁর চারপাশে আলোর প্রদীপ থাকা সত্ত্বেও তিনি আল্লাহর নির্দেশে সন্তুষ্ট হন,
পশু-পাখির প্রতিও সদয় হোন!
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০১৬,রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৭ হিজরী,মাঘ-ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
অমায়িক ব্যবহার কারো অভ্যাসে পরিণত হলে তা সাধারণত দূর হয় না। তা তার প্রকৃতির অংশ হয়ে যায়। সে সব সময় সবার সঙ্গে নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও স্নেহশীল আচরণ করে। জীব-জন্তু এমনকি জড় পদার্থের সঙ্গেও তার আচরণ হয় কোমল ও বিনম্র।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সাহাবায়ে কেরামসহ সফরে ছিলেন। পথিমধ্যে তারা এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলেন। সাহাবায়ে কেরামও যার যার প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিচ্ছিলেন। জনৈক সাহাবি দুটি ছানাসহ একটি রেডস্টার্ট পাখি দেখলেন। তিনি সখেরবশে ছানা দুটিকে ধরে নিয়ে এলেন। এদিকে মা পাখিটা তার কাছে চলে এলো। পাখিটি তাদের চারপাশে ঘুরঘুর করে ডানা ঝাপটাচ্ছিল। ইতোমধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে এলেন। তিনি পাখিটার এ অবস্থা দেখে সে সাহাবীদেরকে বললেন,
লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০১৬,রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৭ হিজরী,মাঘ-ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
যিকর নং ১ : তাহলীল
লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই) :
এটি এক্ষেত্রে সর্বশ্রে ও সর্বপ্রথম যিকর। অনেক আবেগী মানুষ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু-কে যিকর হিসাবে পালন করা অযৌক্তিক বলে মনে করেন। তারা বলেন,
ছোটদের প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ৮ম সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০১৬,রবি.সানি-জমা.আউ ১৪৩৭ হিজরী,মাঘ-ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
তায়েফ অবরোধ ও বার শহীদের রক্ত বৃথা যায়নি
মালেক ইবনে আওফ হোনায়েনে পরাজিত হয়ে তায়েফ পালিয়ে গেলো। আশ্রয় নিলো বনু সাকিফ-এর মজবুত কেল্লায়। তার হৃদয় পরাজয়ের লজ্জা থেকে জন্ম নিলো প্রতিশোধের আগুন। মুসলমানদেরকে পুনঃমুকাবিলা করার জন্যে সেখানে বসেই সে সৈন্য সংগঠিত করতে লাগলো। বনু সাকিফ তার পাশে দাঁড়ালো। পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিলো।
নবীজী তায়েফের দিকে রওয়ানা দিলেন। পৌঁছেই কেল্লা অবরোধের নির্দেশ দিলেন। অবরোধ ছিলো বেশ শক্ত। দুশমনের মনোবলও বেশ তুঙ্গে। তারা আত্মসমর্পন করলো না। দিনের পর দিন অবরুদ্ধ হয়ে থাকলো। দুশমনের তীর-বৃষ্টির কারনে সামনে অগ্রসর হয়ে কেল্লা দখল করাও সম্ভব হলো না। কেল্লা দখলের চেষ্টা করা হয়েছে বারবার। এ চেষ্টায় শহীদ হয়েছেন বারজন বীর মুজাহিদ। তবুও কোনো কাজ হলো না। দুশমনও আত্মসমর্পণ করলো না,


