(৬০) সূরা মুমতাহিনা আয়াত (১-৩)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৬, শাবান-রমাদান ১৪৩৭ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
১। হে ঈমানদার লোকেরা ১ তোমরা যদি আমার পথে জিহাদ করার জন্য ও আমার সন্তোষ লাভের মানসে (দেশ ছাড়িয়া ঘর হইতে) বাহির হইয়া থাক, তাহা হইলে আমার ও তোমাদের শত্রদিগকে বন্ধু বানাইও না। তোমরা তো তাহাদের সহিত বন্ধুত্ব স্থাপন কর অথচ যে সত্য তোমাদের নিকট আসিয়াছে তাহা মানিয়া লইতে তাহারা ইতিপূর্বেই অস্বীকার করিয়াছে। আর তাহাদের আচরণ এই যে,
আখেরী যামানার উম্মাতের জন্য চিন্তা ৭৫বর্ষ- ১২ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৬, শাবান-রমাদান ১৪৩৭ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
তৃতীয় ভুল: দায়িত্ব বা ক্ষমতা
অনেকে মনে করেন, আবদাল বা আউলিয়ায়ে কেরামকে আল্লাহ বৃষ্টি, বিজয় ইত্যাদির দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়েছেন। এরা নিজেদের সুবিধামত তা প্রদান করেন। এ ধারণাটি হিন্দু ও মুশরিকদের দেব-দেবতায় বিশ্বাসেরই মত শিরক। এ বিশ্ব পরিচালনায় আল্লাহ কোনো জীবিত বা মৃত কোনো নবী,
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)-এর স্মরণে পুনঃমুদ্রিত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৬, শাবান-রমাদান ১৪৩৭ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
যাকাত
ঈমান ও সালাতের পরে যাকাত ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। অনেক ইবাদতই কুরআন কারীমে মাত্র ২/৪ বার উল্লেখিত হয়েছে, যেমন রোযা, হজ্জ ইত্যাদি। আবার কিছু ইবাদত অনেক বেশী বার উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআনে একবার বললেই ফরয হয়ে যায়। বারবার বলার অর্থ গুরুত্ব বুঝানো। সালাতের পরে সবচেয়ে বেশি যাকাতের কথা কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা সাধারণত দীনের সবচেয়ে বড় কাজ বুঝাতে বলি “নামায-রোযা”,
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)-এর স্মরণে পুনঃমুদ্রিত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৬, শাবান-রমাদান ১৪৩৭ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
আহকামে সিয়াম ও কিয়াম
আল্লাহর কত দয়া! ইসলামকে কত সহজ করেছেন। সাহরী খাওয়া আমাদের নিজেদের জন্যই প্রয়োজন, অথচ আল্লাহ এ কাজটিকে ইবাদত বানিয়ে দিয়েছেন। খেলে আল্লাহ খুশি হন এবং সাওয়াব দেন। বিভিন্ন হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাহরী খেতে নির্দেশ দিয়েছেন। এক হাদীসে তিনি বলেন : “সাহরী খাওয়া বরকত;
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)-এর স্মরণে পুনঃমুদ্রিত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৫বর্ষ- ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৬, শাবান-রমাদান ১৪৩৭ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
শবে কদর, ইতিকাফ ও ফিতরা
রামাদানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো শেষ দশ রাত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রামাদানের প্রথম ২০ রাতে কিয়ামুল্লাইল করার আগে বা পরে কিছু সময় ঘুমাতেন। কিন্তু রামাদানের শেষ দশ রাতে তিনি সারারাত বা প্রায় সারারাত জাগ্রত থেকে কিয়ামুল্লাইল ও ইবাদতে রত থাকতেন।
শুধু তাই নয়,


