শুকর, রিদা ,কানা‘আত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ ১ম সংখ্যা, জুলাই ২০১৭, রমজান-শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী, আষাঢ়-শ্রাবন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
শুকর অর্থ কৃতজ্ঞতা, রিদা অর্থ সন্তুষ্টি এবং কানা‘আত অর্থ স্বল্পে তুষ্টিঃ
এই তিনটি কর্মে মুমিনের মনকে অভ্যস্ত করতে হবে। এগুলো দুনিয়া ও আখিরাতের অনন্ত নিয়ামতের উৎস। আল্লাহ বলেন- “যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর তবে আমি আরো বাড়িয়ে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও তবে আমার শাস্তি বড় কঠিন।”
আমাদের প্রত্যেকের জীবনে অগণিত নেয়ামত রয়েছে। আবার অনেক কষ্টও রয়েছে। আমরা কখনোই কষ্ট ও অসুবিধাগুলোকে বড় করে দেখব না। কষ্টের কথা বারংবার মনে করে জাবর কাটব না। বরং আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত,
সিয়াম, রমজান ও কুরআন
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১২ম সংখ্যা, জুন ২০১৭, শাবান-রমজান ১৪৩৮ হিজরী, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ’ সংখ্যায়
সিয়াম ফরয করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন : “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়াম লিপিবদ্ধ (ফরয) করা হয়েছে, যেরূপভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর তা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” (সূরা বাকারা : ১৮৩ আয়াত)
আমরা দেখেছি,
দীনের সকল কর্মই তাযকিয়া
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়
কুরআন কারীমে বারংবার ইরশাদ করা হয়েছে যে, উম্মাতের ‘তাযকিয়া’ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মূল মিশন এবং ‘তাযকিয়ায়ে নাফস’-ই সফলতার মূল। মহান আল্লাহ বলেন : “সেই সফলকাম হবে, যে নিজেকে ‘তাযকিয়া’ (পবিত্র) করবে এবং সেই ব্যর্থ হবে,
দীনের সকল কর্মই তাযকিয়া ৭৬বর্ষ ১০ম সংখ্যা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১০ম সংখ্যা, এপ্রিল ২০১৭, জমা.সানি-রজব ১৪৩৮ হিজরী, চৈত্র-বৈশাখ ১৪২৩-২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
কুরআন কারীমে বারংবার ইরশাদ করা হয়েছে যে, উম্মাতের ‘তাযকিয়া’ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মূল মিশন এবং ‘তাযকিয়ায়ে নাফস’-ই সফলতার মূল। মহান আল্লাহ বলেন : “সেই সফলকাম হবে, যে নিজেকে ‘তাযকিয়া’ (পবিত্র) করবে এবং সেই ব্যর্থ হবে,
দ্বীনদারী নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ৯ম সংখ্যা, মার্চ ২০১৭, জমা.আউ-জমা.সানি ১৪৩৮ হিজরী, ফাল্গুন-চৈত্র ১৪২৩বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১. মুসলিমের দ্বীন নিয়ে, তার দ্বীনদারী ও দ্বীনি আকৃতি এবং পরিচ্ছদ নিয়ে উপহাস করা বৃহত্তর সর্বনাশ। যে বিষয় নিয়ে বিদ্রূপ করা হয় তা দ্বীন জেনে এবং তা দ্বীনের এক আমল, ইবাদত বা প্রতীক জেনেও ব্যঙ্গ করা কুফর। এ ধরনের বিদ্রূপকারী ইসলাম থেকে বহির্ভূত হয়ে যায়।
২.


