মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
কিয়ামাতের আলামাত (৩২)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৭ম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৭, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৯ হিজরী,অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
১৩২. বিশাল বাহিনী মাটির নীচে ধসে যাবে
১. কাবাঘরে আশ্রয় নেয়া ইমাম মাহদীকে হত্যা করতে কোন এক মুসলিম রাষ্ট্র থেকে বিশাল বাহিনী প্রেরণ করা হবে। আল্লাহ পাক -বাহিনীর সকল সদস্যকে মাটির নীচে ধ্বসে দেবেন। নিয়ত অনুযায়ী সবার পুনরুত্থান হবে।
২.
জিহ্বার অন্যান্য দোষ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৭ম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৭, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৯ হিজরী,অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
পাঠক, এখন জিহ্বার অন্যান্য দোষের কথা শুনুন। সহীহ বোখারি ও মুসলিমে আছে, যদি একজন লোক অন্য লোককে ফাসেক (পাপী) কিম্বা কাফের বলিয়া গালি দেয়, ঐ ক্ষেত্রে যদি দ্বিতীয় ব্যক্তি তদ্রুপ না হয়,
দারুস্সালাম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ও ইসালে সওয়াবের দাওয়াত ও প্রচার কার্যে এখন থেকেই সচেষ্ট হই
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৭ম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৭, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৯ হিজরী,অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
ইনশাআল্লাহ্ আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং মঙ্গলবার হতে শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ফুরফুরা দরবারের দারুস্সালাম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ও ইসালে সওয়াব। ২৯ শে ডিসেম্বর জুমু’আর সময় আখেরী বয়ান ও মুনাজাতের মধ্য দিয়ে মাহ্ফিল শেষ হবে ইনশা-আল্লাহ। ষাটের দশকের শেষের দিকে ফুরফুরার পীর শায়খুল ইসলাম হযরত মাওলানা আবু নসর মুহাম্মদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী-(রহ.) ঢাকার কল্যাণপুর সংলগ্ন বড় সয়েক এলাকায় প্রায় বিশ বিঘা জমি ক্রয় করেন ‘মার্কাজে ইশাআতে ইসলাম’ নামে তাজমহলের নকশায় বহুমুখি ইসলাম প্রচার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য। প্রাথমিকভাবে সত্তর দশকের শুরুতে এই জমিতে তিনি ফুরফুরার কায়েম মোকাম ওয়াজ মাহফিল ও ইসালে সওয়াব প্রতিষ্ঠা করেন;
নারী যখন রানি (১) একজন নারীর রানি হওয়ার কাহিনী
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৭ম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৭, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৯ হিজরী,অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
রাশিয়ান এক তরুণী। জন্ম খৃষ্টধর্মের রক্ষণশীল এক পরিবারে।
রুশ এক ব্যবসায়ী তাঁকে উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনো এক দেশে ব্যবসায়িক এক সফরে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। বলে, সঙ্গে আরও অনেক তরুণী থাকবে। উদ্দেশ্য,
হযরত হামযা (রা.)-এর গল্প শোন
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৭বর্ষ- ৭ম সংখ্যা, ডিসেম্বর ২০১৭, সফর-রবি আউঃ ১৪৩৯ হিজরী,অগ্রহায়ন-পৌষ ১৪২৪বঙ্গাব্দ ‘ সংখ্যায়
হযরত হামযা (রা.) নবীজীকে খুব ভালো করে জানতেন। জানতেন, তিনি কখনো মিথ্যা বলেন না। তিনি কাউকে ধোঁকা দেন না। কষ্ট দেন না। তাঁর চরিত্র সূর্যের মতো উজ্জ্বল। জীবনের কোথাও কলঙ্ক নেই। তাঁর প্রতি হযরত হামযা (রা.)-এর কোন সন্দেহ নেই। কেন সন্দেহ করবেন?


