মাসিক পত্রিকা নেদায়ে ইসলাম
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রমজান-পূর্ব সময় যাপন
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন পার্থিব বিষয়ে পরিপূর্ণ যুহুদ অবলম্বনকারী, আল্লাহ ও পরকাল দিবসে যা গচ্ছিত ও সংরক্ষিত সে ব্যাপারে খুবই আকাক্সক্ষী। রাসূল, তাই, আসন্ন এবাদতকাল উপলক্ষ্যে অত্যন্ত আনন্দিত হতেন এবং বিভিন্ন সময়ে রহমত-বরকত ও কল্যাণ বর্ষণ এবং অবতরণের উপলক্ষ্য ও অনুষঙ্গগুলোর কারণে ব্যাকুল হতেন। কোরআনে এসেছে- আপনি বলুন,
নিসফ শা’বান বা শবে বরাত
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়
শাবান মাস একটি মুবারক মাস। বিভিন্ন সহীহ হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ মাসে বেশি বেশি নফল রোযা পালন করতেন। শাবান মাসের সিয়ামই ছিল তার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। এমাসের প্রথম থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত এবং কখনো কখনো প্রায় পুরো শাবান মাসই তিনি নফল সিয়াম পালন করতেন। এ বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,
ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়
তরীকতপন্থীদের পক্ষে ক্রোধ সম্বরণ করা অপরিহার্য কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা বলিয়াছেন- ‘উক্ত বেহেশত উহাদের জন্য প্রস্তুত করা হইয়াছে, যাহারা শান্তি ও দুঃখের সময় দান করে এবং ক্রোধ সম্বরণকারী ও লোকদের ত্রুটি মার্জনাকারী।’ আরও বলিয়াছেন,
কিয়ামাতের আলামাত (২৭)
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়
১১২. ফুরাত নদীর তলদেশ থেকে স্বর্ণের খনি আবিস্কৃত হবে
১. ইরাকের বক্ষ দিয়ে প্রবাহিত নদী-দ্বয়ের মধ্য ফুরাত অন্যতম। এক সময় এতে প্রচুর পানি ছিল। এখনও আছে, তবে ক্রমেই নিম্নে চলে যাচ্ছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- ফুরাত নবী শুকিয়ে বহন পথ পরিবর্তন হয়ে যাবে। অতঃপর স্বর্ণের খনি উন্মোচিত হবে। সকল পরাশক্তি স্বর্ণ দখলে যুদ্ধে লিপ্ত হবে। সেখানে অজস্র লোকের মরণ হবে।
২.
দীনের সকল কর্মই তাযকিয়া
প্রকাশিত হয়েছে: ‘৭৬বর্ষ ১১ম সংখ্যা, মে ২০১৭, রজব-শাবান ১৪৩৮ হিজরী, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ….’ সংখ্যায়
কুরআন কারীমে বারংবার ইরশাদ করা হয়েছে যে, উম্মাতের ‘তাযকিয়া’ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মূল মিশন এবং ‘তাযকিয়ায়ে নাফস’-ই সফলতার মূল। মহান আল্লাহ বলেন : “সেই সফলকাম হবে, যে নিজেকে ‘তাযকিয়া’ (পবিত্র) করবে এবং সেই ব্যর্থ হবে,


